চ্যবন মুখুজ্জ্যেদের বার্ষিকগতি

 

সেলুলার ফোনটি লুঙির কোঁচড়ে ধারণ করে দুর্গামন্দিরের চাতালে বসলেন চ্যবন। মুখুজ্জ্যেদের ভদ্রাসনের উল্টো দিকেই দুর্গামন্দির। মন্দিরটি একসময় ছিল তালপাতা ও মৃত্তিকানির্মিতযুবাবয়সে চ্যবনরা আশেপাশের দশটা গাঁ ঘুরে চাঁদা আদায় করে মন্দিরটি পাকা করেছিলেন। মন্দিরের চাতাল পেরিয়ে অপরিসর অঙ্গন, অঙ্গনে জাঁহাবাজ হাঁড়িকাঠ, ছাগবলি হয় পুজোর তিনদিনঅঙ্গন পেরিয়ে দুর্গার ডোবাআমান্ন নৈবেদ্য ছাগশিশু—মায়ের চরণে নিবেদন করার আগে দুর্গাডোবার সবুজ জলে চুবিয়ে সব শুদ্ধ করা হয়। ডোবার তিনদিকে বাঁশবাগান একটু আগেই গুটিকয় গ্রামবাসীর ত্বরিৎ আনাগোনা, দুর্বাদল ভট্‌চাযের ভ্রান্তিপূর্ণ দরদি মন্ত্রপাঠ, হাবু ডোমের আনাড়ি ব্যাটার ঢাকের বাদ্যিতে স্পন্দিত হয়েছিল জায়গাটি, এখন আবার নিস্তরঙ্গ হয়ে গিয়েছে, রাস্তায় একটিও প্রাণী নেই। বড়বড় শহরে যে রাত চিরযুবতী, ধারাবহের মতো তুচ্ছাতিতুচ্ছ গাঁয়ে সাতটাতেই তাতে জরাসন্ধে সন্ধে ভরপেট নৈশাহার সেরে গাঁয়ের লোক খিলহুড়কো এঁটে নিদ্রার তোড়জোড় করে। চ্যবনও একসময় তাই করেছেনবিরাশি সালে শহরে গেলেন চাকরি করতে। চুরাশিতে বিয়ে হ’ল নতুনবাইদের কুমুদ্বতীর সঙ্গে, ছিয়াশিতে হল রুরু। রুরুকে ভর্তি করলেন শহরের ইস্কুলে, সেখানেই কোয়ার্টার। এখন অবসরের পর শহরেই একখানা ঘুপচি একতলা আউড়ে স্বামী-স্ত্রীতে দিন গুজরান করছেন

দুর্গামন্দিরের চাতালে একাকী বসে পুরনো দিনের কথাই ভাবছিলেন চ্যবন। আগে দুর্গাষষ্ঠীর সন্ধেবেলা ভালোই লোকসমাগম হতো দুর্গামন্দিরে চাতালে বসে মজলিশ হত, কচিবৃদ্ধ সবাই থাকত, পুজোর সময়টা গুলজার হয়ে যেত এই একরত্তি গাঁ নাগরিক সভ্যতার আগ্রাসন বরাবরই ছিল, চ্যবন নিজেই রুজির আকর্ষণে নগরাভিমুখে গিয়েছেন একসময়, কিন্তু তা বলে এখনকার মতো সামাজিক সম্পর্কগুলো বিষিয়ে যায়নি। এই যে জেমিনি চাটুজ্জ্যেরা, এরা কম শত্রুতা করেছে! কিন্তু ছোটোবেলায় এই জেমিনিই চ্যবনকে গঞ্জিকার আস্বাদ নিতে শিখিয়েছিল জেমিনির ঠাকুর্দা রসিকচুড়ামনি ভার্গো চাটুজ্জ্যে কিশোর চ্যবনকে দিয়েছিল অনৈসর্গিক উপায়ে রেতঃপাতেরপাঠজেমিনির মাকত যে আস্কেপিঠে খাইয়েছেন চ্যবনদের,পাড়াগেঁয়ে ছড়া শিখিয়েছেন কত:

 

আলু ভাতেভাত খেয়ে মরি,

মাগ চেয়েচে সোনার চুড়ি,

সোনার চুড়ি কোতায় পাবো,

গলা টি-পে মেরে দেব!

এখন তো পেটি গ্রাম্যবিবাদেও গেরুয়া-সবুজ-লাল রঙ লাগে, কোতোয়াল আসে

অথচ গাঁয়ের ছোটোখাটো ঝুটঝামেলা এই দুর্গামন্দিরেই মীমাংসা হত একসময়। গাঁয়ের অলিখিত মোড়ল চিনুকচরণ চাটুজ্জ্যে ঠিক এইখানটাতেই বসতদক্ষিণ পদটি ছিল খঞ্জ, ফোল্ডিং করা যেত না, লম্বা করে রাখতে হত শালপাতা পাকিয়ে তাতে তাম্বাকু ঠেসে বিঘৎ সাইজের ‘চুটি’ বানাত, চকমকি ঘষে অগ্নিসংযোগ করত, তারপর সেটি মৌজে সেবন করতে করতে নিদান হাঁকতো বৃদ্ধ নানা কিসিমের অপরাধ, নিদানও সেরকমবাউরিবউকে বলপূর্বক আলিঙ্গন আর চুম্বন করার অপরাধে বৃদ্ধ ভার্গো চাটুজ্জ্যের জরিমানার রায় দিয়েছিল হা-বৃদ্ধ এই চিনুকচরণ। কালীপুজোয় কারণবারি পান করে লঘুগুরু জ্ঞান বিস্মৃত হয়েছিল যুবক ননীচোর, বয়োজ্যেষ্ঠ কালীকিংকরকে সিগারেট অফার করে ফেলেছিলসেই অপরাধে ননী চোরকে গোটা দিন এই দুর্গামন্দিরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। হাম্বীর বাউরির বাবা জাপানি বাউরি জয়চণ্ডী মায়ের থান মাড়িয়েছিল বলে সকাল-সন্ধে বেত্রাঘাতের হুকুম হয়েছিল চ্যবনের তখন অল্প বয়েস—প্রি-ইউনিভার্সিটি, কিঞ্চিৎ মার্ক্স চর্চা করছেন, চিনুকচরণ তখন তাঁর কাছে শ্রেণীশত্তুরঅথচ এখন এই ষাটের কোঠায় এসে মনে হয়, চিনুকচরণের প্রজাতির দু পেয়েরা বিলুপ্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পল্লীসমাজও উচ্ছন্নে গিয়েছে।

দুর্গার ডোবাটির দিকে দৃষ্টি প্রসারিত করলেন চ্যবন। বাঁশবাগানের ফাঁকে মাটির একটি মঞ্চের ভগ্নাবশেষ দেখা যাচ্ছে আবছা। সঙ্গে একটি আবছায়া মূর্তি মঞ্চের উপর উবু হয়ে, টর্চ হাতে। ঝিঁঝিঁ আর বিক্ষিপ্ত শিবাধ্বনির মাঝে চাপা কোঁৎ-কার শোনা যাচ্ছে, বর্জ্য ত্যাগ করার মরিয়া চেষ্টাচ্যবনদের সাধের যাত্রাপালার মঞ্চ! ধারাবহ যুবক সঙ্ঘ মঞ্চস্থ করত অ্যামেচার যাত্রাপালা। এই দুর্গাষষ্ঠীতেই বই সিলেকশন করা হত, ফি ফাগুনে হত যাত্রাযাত্রার কথা ভাবলে কত কথাই স্মরণে আসে চ্যবনেরসেই ভক্ত প্রহ্লাদ পালা, যুবক সঙ্ঘ পরিচালিত যাত্রানুষ্ঠানের দ্বিতীয়বর্ষ। দুটো দৃশ্যে অভিনয় করার পর হিরণ্যকশিপুবেশী সর্বঘ্ন চাটুজ্জ্যে আকস্মিক শৌচকার্য ইত্যাদি করতে নেমেছে দুর্গা ডোবায় হতভাগার খেয়াল নেই দুর্গাডোবায় মারক চোরাপাঁক যা হবার তাই হলো, হিরণ্যকশিপুর নাগরাসুদ্ধ পা গহিন পঙ্কে। পঙ্কে প্রোথিত পা, এদিকে পরবর্তী দৃশ্যে প্রবেশ আসন্ন। শেষমেশ নাগরা রইল পঙ্কে, পঙ্কচর্চিত পদযুগল নিয়েই মঞ্চে অবতীর্ণ হল সর্বঘ্ন যেন কালো গামবুট পায়ে হিরণ্যকশিপু! আরো মনে পড়ে সেইবছরের সিধো কানহু পালা শেষের সেই শেষরাতহনহনিয়ে হাঁটছেন মধ্যতিরিশের চ্যবন, সামনে চলেছে হাম্বীর বাউরি। হাম্বীরের কাঁধে পঞ্চবর্ষীয় রুরুচ্যবন রুরুকে নিয়ে চলেছেন শহরের ইস্কুলে, সকাল সাতটা থেকে প্রাথমিক ইস্কুলের প্রবেশিকা পরীক্ষা। গাঁয়ের পাঠশালার পাঠ সমাপ্ত, চ্যবন এবার তাঁকে শহরের ইস্কুলে ভর্তি করবেন।

হাম্বীররে আরেকটু পা চালা বাপ, প্রথম খেয়াটা মিস্‌ করলে ছেলের আমার আর পরীক্ষা দেওয়া হবে না তাগাদা দিচ্ছেন চ্যবনবীরবেগেই চলছে হাম্বীর, সন্ধেয় আকণ্ঠ ধেনো সেবন করেছিল, গুনগুন করতে করতে এগিয়ে চলছে, সিধো কানহু পালায় বিবেকের গাওয়া একটা গান। শিশু রুরু হাম্বীরের বৃষস্কন্ধে,হাম্বীরের মাথাটি জড়িয়ে আছেহুঁদহুঁদে অন্ধকার চারদিকে, চ্যবনের ছয়সেলের টর্চ ব্যবচ্ছেদ করছে অন্ধকারের জঠর

চ্যবন নিজের মুখে হাত বোলাচ্ছেন বারবার। সিধো কানহু পালায় সিধো মাঝি সেজে ছিলেন সৌম্যকান্তি চ্যবন—দু পোঁচ কালি মাখতে হয়েছিল। দাঁড়িমোচটা উপড়েছেন,নারকেলতেলে ন্যাকাড়া ভিজিয়ে ঘষে ঘষে কালিটা তুলেছেন যতটা পারা গিয়েছেবড়ো যত্ন করে মেক আপ দিয়েছিল গোস্বামী সাজঘরের দ্বিজপদ গোস্বামী, টানা দুঘণ্টা ঠায় বসে মেক আপ নিয়েছিলেন চ্যবনকুমুদ্বতী তো চিনতেই পারেননি, ভুটেল সাঁওতাল ভেবে গা বাঁচিয়ে চলছিলেন যাতে ছোঁয়াছুঁয়ি না লাগে! এমনকি কালেংড়ার মতো নির্বিবাদী পোষ্য নেড়িটিও আতঙ্কে ভেকুতে লেগেছিল—এমনই রিয়ালিস্টিক হয়েছিল সেই মেক আপ!

রুরুর পরীক্ষাটাও এমন একটা দিনে পড়ল—চলতে চলতে এটাই ভাবছেন চ্যবন! সেই আশ্বিনেই তাঁদের গাঁয়ের বাত্‌সরিক এই যাত্রানুষ্ঠানের দিনক্ষণ ঠিক হয়ে গেছে, গোস্বামী সাজঘর-এ বায়না দেওয়া হয়েছে, পাশের গাঁয়ের ক্লাবগুলোকে নেমতন্ন করা হয়ে গিয়েছে, হস্তলিখিত পোস্টার দেওয়া হয়েছে। ইস্কুল প্রবেশিকার দিন পড়বি তো পড় একেবারে শেষরজনীর পিঠো পিঠিই! একবার ভেবেছিলেন নিকুচি করেছে, পরীক্ষাই দেওয়াবেন না ছেলেকে। বেবাক রাত্তির যাত্রা মঞ্চে কসরত করার পর ছেলে ঘাড়ে করে শহরে যাওয়া তাঁর পক্ষে অসম্ভব। এই বছরটা রুরু এই ধারাবহ নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়েই পড়ুক, পরের বছর তখন দেখা যাবে। বাবার এই মনোভাবে সবচেয়ে খুশি হয়েছিল শিশু রুরু আর সবচেয়ে অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন রুরুর মা কুমুদ্বতীগাঁয়ের ইস্কুলে এক বছর নষ্ট হলে আর কোথাও সুযোগ পাবে ও? ধারাবহ ইস্কুলে কী লেখাপড়া হয়? যে করেই হোক ওকে পরীক্ষা দেওয়াতেই হবে জেদ ধরেছিলেন রুরুর মা কুমুদ্বতী

ওফ্‌, সেদিনের সেই শেষরজনী! গাঁয়ের মেয়ে বৌয়েরা সকাল সকাল যে যার সাংসারিক কাজকম্ম গুটিয়ে যাত্রাশালায় ভিড় জমাবার তোড়জোড় করছে, ভিঞ্চি ময়রার দোকানে দেদার জিলিপি লবঙ্গলতিকা ডিম সেদ্ধ লেনদেন হচ্ছে, মাইকে অনবরত ঘোষণা হচ্ছে, অদ্য শেষরজনীতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন শ্রী অভিরাম চৌধুরি প্রণীত যাত্রাপালা চ্যবন মুখুজ্জ্যেসহ অন্যান্য কুশীলবরা ব্যস্ত শেষমুহূর্তের প্রস্তুতিতে,আর চ্যবনের স্ত্রী কুমুদ্বতীআমোদের সমস্ত হাতছানি তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে নিতান্ত অনিচ্ছুক, বিষণ্ণ একটি শিশুকে নিয়ে দোতলার একটি নির্জন কুঠুরিতে, বর্ণপরিচয় থেকে বানান, ধারাপাত থেকে নামতা পড়াচ্ছেন। সবই মনে আছে চ্যবনেরশেষ দৃশ্য অব্দি পার্ট ছিল, দৌড়োতে দৌড়োতে দামোদর নদে খেয়া ধরে ছিলেন, খেয়া পেরিয়ে ফার্স্ট বাসটা। পরীক্ষা কক্ষেরুরুকে সেঁধিয়ে দিতে গিয়ে ইস্কুলের দিদিমনিদের চোখে পড়ে গিয়েছিলেন, ওঁরা অবাক চোখে তাকিয়েছিল চ্যবনের দিকে, চ্যবনের চোখে দগদগে কাজল, মুখে কালির ছোপ

সময়ের প্রলেপ যতো পড়ে, স্মৃতির সোয়াদ ততো বাড়ে

ক্রিং ক্রিং

চ্যবনের সেলুলার ফোন কোঁচড়ে সুর তুলেছে। রুরুর ফোন মার্কিন দেশে সকাল হচ্ছে। ওর এখন আপিস যাবার সময়। আপিস যাবার আগে ফোন করে কখনও কখনও।

বাবা, ষষ্ঠীকিত্তি হলো?

হ্যাঁ ব্যাটা। খবর সব ঠিক আছে তোর?

হ্যাঁসব ঠিক আছেতোমাদের খবর ভালো? ঠাক্‌মা দাদু ভঙকাকা ভালো আছে? আর ছোট্‌কাকা, ক্ষেমীপিসিরা কেউ এসেচে?

অ্যাঁ?

লচি ক্ষেমীপিসিরা কেউ এসেচে?

না, ওরা কেউ আসবে না রে এবার। মুরারি ছুটি পায়নি, ক্ষেমীর শাসুড়ির শরীরগতিক মন্দ।। তা তোদের পুজো কেমন হচ্চে ওখানে?

আমাদের তো সবে ষষ্ঠীর সকাল। পুজো হবে নিশ্চয়

খানে একটা দুর্গামন্দির আছে না?

দুর্গাবাড়ি। ভাবচি সন্ধেয় একবার ঢুঁ মেরে আসব

এই রকমই সাধারণ কথাবার্তা চলতে থাকে রুরু আর চ্যবনের। সেদিনের সেই রাতে খানিক কষ্ট স্বীকার করে নদী পেরিয়ে শহরের ইস্কুলে পৌঁছাতে পেরেছিলেন বলে আজ খোকা সাতসমুদ্দুর তেরো নদী পেরিয়েছে—কথোপকথনের মাঝেই মনে মনে ভাবেন চ্যবন।

চ্ছা বাবা, একটা কথা ছিল, আটপৌরে কথার মাঝেই রুরু বলে উঠল। গলার স্বর আচমকা বদলে গেল রুরুর, চ্যবন লক্ষ্য করলেন ।

হ্যাঁ, কী হয়েচে বল ব্যাটা চ্যবন ফোনটিকে আরো কর্ণ সংলগ্ন করলেনএকটা শব্দও হারিয়ে ফেলতে চান না, বেমক্কা অ্যাঁ বলতেও চান না।

য়ে…ওই…আচ্ছা, তুমি পষ্ট শুনতে পাচ্চোকী যেন বলতে গিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত হচ্ছে রুরু, টের পাচ্ছেন চ্যবন

হ্যাঁ রে, বল্‌ বল্‌

চ্ছা যেটা বলছিলাম…কাল হাজার ডলারের মত পাঠিয়েচি, টেক্সট পেয়েচো? রুরু কী যেন বলতে গিয়েও বলতে পারল না চ্যবন বিলক্ষণ বুঝলেন কিন্তু বুঝেও না বোঝার ভাণ করলেন, রুরুকে তিনি অসোয়াস্তিতে ফেলতে চাননা।

সএমএস? হ্যাঁ পেয়েচি, পঁয়ষট্টি পঞ্চাশ তুই নিজে রাখলি তো ব্যাটা, না সবটাই পাঠিয়ে দিলি? মোলায়েম স্বরে বললেন চ্যবন।

ছে আমার। ভালো দর চলচে, তাই

দাদা অনেক রাত হয়েচে। এবার আসা হোক

ঙ্গারুরুর সঙ্গে সঙ্গে বাক্যালাপ করতে করতেই হাঁকেন চ্যবন।

হ্যাঁ, এবার আসুন, সব যে জুড়িয়ে গেল

ঙ্গা, কিছু বলছিলি?

লচি, এবার আসুন, বউদিদি রাগ করচে

ত্রিভঙ্গের ডাক। চ্যবন বিচলিত হন রুরু, তোর মা ডাকচে বলে উঠে পড়েন

সুন’ই তো বলল! আপনি আজ্ঞে! নাহ্‌, এ তো ভ্রান্তি নয়!ভ্রুকুটি করে স্বগতোক্তি করলেন চ্যবন।

(ক্রমশ…)

 
 
top