এপ্রিল

 

পৃষ্ঠা নং
1
 

প্রত্যাখ্যান, ফ্যান অথবা এক শঙ্খচিলের গল্প


subhankarচলচ্চিত্র সমালোচনা শঙ্খচিল (২০১৬) পরিচালনা গৌতম ঘোষ ফ্যান (২০১৬) পরিচালনা মণীশ শর্মা   এই লেখা (লেখাই বলি। কেননা এটার গোত্র কী, সেটা এখনো আমার জানা নেই) শুরু হোক একটি সকাল দিয়ে। ভোর-ভোর এক সকাল যা উজ্জ্বল কিন্তু প্রখর নয়—শেষ হেমন্তের প্রথম রৌদ্রস্নাত, যে রোদ্দুরে ধুয়ে যেতে যেতে প্রথম বর্ষ স্নাতক যুবক এক দমদম পার্কে এই দৌড়ে
 
 

নতুন আলো


সৌম্য ভট্টাচার্যপর্ব ২১ ভাইপো নীতীন্দ্রনাথ গুরুতর অসুস্থ। ঘন ঘন জ্বর আসছে তার। অন্যদিকে পেটে দারুণ যন্ত্রণা। সন্দেহ যে যকৃতের প্রদাহ ঘটেছে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি হচ্ছে না। বস্তুত উৎসাহের আধিক্যে কিঞ্চিৎ চিকিৎসা-সঙ্কটই দেখা দিয়েছে। ঠাকুরবাড়ির এ এক অদ্ভুত নিয়ম। কেউ অসুস্থ হলে অ্যালোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি, কোবরেজি সব একসঙ্গে চলতে থাকে। রবীন্দ্রনাথ নিজে শখের হোমিওপ্যাথি করেন। রাত জেগে সেবা
 
 

মোহনা


11760328_1605506879736732_2485776285146396679_nমাঝের হাট যাবা বহিন? এত কাছখানি এসেছ? আমার বাড়ি দিকেও লিয়ে যাব। বাড়িউলি খুব বলে তুমার কথা। গ্রামপঞ্চায়েত অফিসের জিপি কর্মীটি জিজ্ঞেস করে মোহনাকে। আরএসবিওয়াই এর কাজ পুরোদমে চলছে। এক এক গ্রাম সংসদ ভিত্তিক বুথ করা হয়েছে।মোহনা এসেছে রমনাডিহি সংসদে। খুব কাছেই সেই মাঝের হাট গ্রাম। যেখানকার এক দিঘির সঙ্গে এক সময় যোগ ছিল জলঙ্গী ও
 
 

তানিয়া চক্রবর্তীর কবিতা


articleকর লক্ষ লক্ষ দরজা নিরাপত্তা দিতে গিয়ে আমায় বন্দি করে দিল দরজার ঘনিষ্ঠ হলাম দরজা বাতাসের চড় শেখাল নির্বাণ লাভ ও পিপাসা একত্রে উড়ে যাচ্ছে শরীরের দিকে শরীরহীন হয়ে মহাজাগতিক হলাম লক্ষ লক্ষ দরজার গায়ে বিজ্ঞাপন দেখলাম   কর না দিলে বাঁকের কিছু বন্ধ মুখ পেরনো যায় না এটা সমস্ত পথের নিয়ম…   আগুন পোহাবে
 
 

ধর্মে আছি জিরাফে নেই


অভিজিৎ চৌধুরীলক আপের একমাত্র আলো হঠাৎ নিভে গেল। অনাথবন্ধু কখনও কোনো মহিলাকে রেপ করেননি। প্রবৃত্তিও হয়নি। কিন্তু কুসুম ভাবলো এ বুঝি পুলিশ সাহেবের কারসাজি। অনাথবন্ধু অন্ধকারে টের পেলেন কোনো অচেনা সাপের ক্রুর, সর্পিল গতি। লাইট জ্বলে উঠল আবার। ভুল ভাঙল কুসুমের। চন্দ্রবোড়া অনাথবন্ধুকে ছোবল মারার আগে মায়ের মমতায় ওকে এক হাতে জড়িয়ে নিল কুসুম। তারপর কুঁজোর
 
 

চ্যবন মুখুজ্জ্যেদের বার্ষিকগতি


বাসব রায়৮ ফোনটিকে নিয়ে উপরকোঠায় এসে বসলেন চ্যবন। আগাপাশ্‌তলা মৃত্তিকানির্মিত দোতলা কোঠাবাড়ি, খড় দিয়ে ছাওয়া, কড়িবর্গাগুলো তালকাঠের। পিসেমশাই সর্বজ্ঞের চাটুজ্জ্যের যেটুকু সম্পত্তি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিলেন সীতাপতি, তারমধ্যে এই বাড়িটিও ছিল। বহুবছর আগেই এই জীর্ণ বাড়িটি ভেঙ্গে একতলা পাকাবাড়ি করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন চ্যবন। তখন সীতাপতি বাধা দিয়েছিলেন। নারায়ণশিলা রাখার কুলুঙ্গি, সর্বজ্ঞ চাটুজ্জ্যেরর পৈতৃক ত্রিশূলটি রাখার কোণ, মা
 
 

গল্প-কবিতার আন্দোলন: বাংলা সাহিত্যের অন্তঃস্রোত


articleপ্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে নানা শিল্প-সাহিত্য আন্দোলন সংগঠিত হয়েছে। তার মধ্যে অ্যাংরি ইয়ং ম্যান, বিট জেনারেশন, ডাডাইজম, স্যুররিয়্যলিজম, ম্যাজিক রিয়্যলিজম, পোস্ট মডার্নিজম, পোস্ট-কোলোনিয়ালিজম উল্লেখযোগ্য। শিল্প সম্পর্কে বহমানকালের ধারনাগুলির গোড়ায় আঘাত করেছিল এইসব আন্দোলনগুলি। পাঁচের দশকের রক মিউজিক, ছয়ের দশকের মাঝে বিটলসদের বৈপ্লবিক পাগলামি আচ্ছন্ন করেছিল তরুণ প্রজন্মকে। বিগত শতাব্দীর ছয়ের দশকের ফিউচারিস্ট, ডাডাইস্ট আর
 
 

কেমন আছেন পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা?


সৌভিক ঘোষালসম্প্রতি স্ন্যাপ এবং গাইডেন্স গিল্ড সংস্থাদ্বয়ের পক্ষ থেকে প্রতীচী ট্রাস্টের সহায়তায় প্রকাশিত হয়েছে একটি গুরূত্বপূর্ণ সমীক্ষা রিপোর্ট। ‘লিভিং রিয়েলিটি অব মুসলিমস ইন ওয়েস্ট বেঙ্গল’। সমীক্ষাটি করা হয়েছে বহুদিন ধরে এবং এর পরিসরও ছিল বিস্তৃত। ৯৭০১৭ টি পরিবারের ওপর এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ৭৯৯১৩টি গ্রামীন পরিবার ও ১৭১০৪টি শহুরে পরিবার। সমীক্ষার আওতায় এসেছেন ৪,৬৩,৯০৪
 
 

কয়েকটি স্বপ্ন বিষয়ে আমি যা জানি


articleসে যখন বুঝতে পারলো, তার বাঁদিকে বুকের কাছে কিছু একটা হচ্ছে, ততক্ষণে পানের দোকানে বিশুদা আমাকে সেন্টুমার্কা কনডোম ধরিয়ে দিয়েছে। সঙ্গে দুটো জম্পেশ মিষ্টিপান। আর হাতে দুটো লবঙ্গ দিয়ে বিশুদা হাসলো, যেন তারই হয়ে যাবে এক্ষুণি। লুঙ্গী তার মাদ্রাজী, আর বউটা কামহীন ধাপসা। আমি নগ্ন হয়েছি, আরও নগ্ন হয়ে যাবো । সে বললো, আজ তোমাকে অন্য কিছু
 
 

অন্তঃপুরের মসীকথা


bengali_village_woman__watercolour_and_charcoa_by_namratadatta-d6e4r5lরামমোহন যে শিক্ষার প্রসারের বীজ বপন করেছিলেন, তাঁর অনুগামীরা সেই বীজের অঙ্কুরোদগম ঘটান। ডিরোজিও ও তাঁর ইয়ং বেঙ্গল সোস্যাইটির উদ্যোগে নারীমুক্তি আন্দোলন এক অন্য মাত্রা পায়। রামমোহন ও তাঁর অনুগামীরা সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য যে আত্মীয় সভা গঠন করেছিলেন, তা সারা বাংলায় আলোড়ন তুলেছিল। এই প্রসঙ্গে ডিরোজিওর নাম অগ্রগণ্য। রামমোহন এবং বিদ্যাসাগর
 
 
 
 
top