জুলাই

 

পৃষ্ঠা নং
1
 

প্রদীপ্তর কবিতা


articleএখন সময় এখন শান্ত থমকে নদীর স্রোত সূর্যও বেশ ক্লান্ত ঘুড়িরও আকাশে গোঁত   মানুষেরা ধীরস্থির জীবন নিস্তরঙ্গ ছেঁড়া খোঁড়া পৃথিবীর পিঠে কুনাট্য রঙ্গ   রঙ ছেলের রঙ লোলুপ রাজার রঙ নীল নীতির রঙ সাদা   লালের রঙ হলুদ রক্তের রঙ বিষ পতাকার রঙে কাদা   মেয়ের রঙ নেই মানুষের রঙ ফাঁকা পৃথিবীর রঙ ফ্যাকাসে
 
 

রক্তক্ষরণের দিনগুলি


12801582_1714051398811950_2127780312145630591_n৩ আর আমি কুত্তার মতো তার ফাঁদে পা দিলাম। সে জানতো হাত-ফাত ধুয়ে নিলে, দোষের বলতে পড়ে থাকে নীরবতা। দড়জায় টোকা দিলে তাও ভেঙে যায়। দীর্ঘ একটা গরম হাওয়া মুখচোখ লাল করে ছাড়লো। সে বললো, নিজের শোয়ার জায়গা হলে আমি সবকিছু ভুলে যাই। আমরা বেরিয়ে পড়লাম। মানে আমাদের কথাবার্তা একরকম শেষ। চতুর্দিকে তখন নতুন বছরের
 
 

সুড়ঙ্গ নগরী


subhankar২. পারা, না-পারা পারলি না? না। সত্যি, তোর দ্বারা না কিস্যু হবে না! আসলে… আসলে আবার কী? আসলে আমি বুঝতে পারিনি, ব্যাপারটা এতটা ইমপর্ট্যান্ট হয়ে দাঁড়াবে! বুঝতে পারিসনি, তাহলে আর কী! মাথায় ঘোল ঢেলে বসে থাক্! আরে এই পাইয়ে দেওয়ার যুগে এটাই তো মোস্ট ইমপর্ট্যান্ট পেপার ইন এনিওয়ানস কলেজ লাইফ! যে-কোনো ফ্রেশারও জানে, আর তুই
 
 

নতুন আলো


সৌম্য ভট্টাচার্যপর্ব ২৪ ভুগছিলেন অনেকদিন। বাতের ব্যথায় পঙ্গু। ছানির জন্য দেখতে পান না চোখে। বয়েস আশি পেরিয়েছে। বাইশে জানুয়ারি, ১৯০১ মঙ্গলবার সন্ধে সাড়ে ছ-টায় তাঁর আইল অব ওয়াইটের প্রাসাদ অসবোর্ন হাউসে মারা গেলেন মহারানি ভিক্টোরিয়া। মৃত্যুশয্যায় তাঁর পাশে ছিলেন ছেলে, ভাবি সম্রাট এডওয়ার্ড এবং নাতি, জার্মানির সম্রাট কাইজার উইলহেলম। পঁচিশে জানুয়ারি এঁরাই ধরাধরি করে মরদেহ কফিনে
 
 

আহাম্মক


articleসে শুয়েছিল। অগোছালো একটা বিছানায়। ঘুমন্ত। স্বপ্নে তাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল একদল মানুষ। রোজ এই একই স্বপ্ন দেখে সে। আর রোজই মাঝরাতে তার ঘুম ভেঙে যায়। সেই একদল মানুষের প্রচণ্ড চিৎকারের রেশ তাকে ঘিরে থাকে ঘুম ভেঙে যাওয়ার বেশ কিছুক্ষণ পরেও। প্রচণ্ড ভয় পেয়ে সে বিছানায় উঠে বসে। তার সারা শরীর বেয়ে বয়ে যায় ভয়ের
 
 

মহাশ্বেতার প্রয়াণ কিন্তু ‘বীরসার মরণ নাই, উলগুলানের শেষ নাই’


articleচলে গেলেন মহাশ্বেতা দেবী। নব্বই বছর বয়েসে বাংলা সাহিত্যের এই প্রবাদপ্রতিম লেখিকার জীবনাবসান হল। শুধু সাহিত্যিক হিসেবেই নয়, নিম্নবর্গের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করা এক অবিস্মরণীয় সমাজকর্মী এবং প্রতিবাদী রাজনৈতিক চরিত্র হিসেবেও উত্তরকাল তাঁকে মনে রাখবে। মহাশ্বেতা দেবীর জন্ম হয়েছিল ১৪ জানুয়ারী, ১৯২৬ এ। বাড়িতে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশ। বাবা মণীশ ঘটক ছিলেন সেকালের প্রখ্যাত সাহিত্যিক,
 
 
 
 
top