ডিসেম্বর

 

পৃষ্ঠা নং
1
 

ক্ষমতায়ণ: নারী-গরীব ও সামান্য ঠাট্টা


articleবিংশ শতাব্দীর মনস্বীরা সমাজ মানুষ ও পরিবেশ নিয়ে নিরন্তর চিন্তা প্রক্রিয়ার মাঝে আবিষ্কার করেন যে বিশ্ব অর্থনীতির উন্নতিকল্পে ‘যারা আছে পিছে’ তাদেরও ‘একই আসনে দিতে হবে ঠাঁই’। এর ব্যতিক্রমে সামাজিক সার্বিক উন্নয়ণ সম্ভব নয়। এই প্রশ্নেই উঠে এল নারী-পুরুষের সমানাধিকারের প্রশ্ন। উঠল সমশ্রমবন্টনের, ক্ষমতায় সমানাধিকার, সম মর্যাদা, অংশীদারিত্বের দাবী। সামনে ধরা পড়ল সমাজের অসমসত্ব বিভাজন। হৈ
 
 

নরেন্দ মোদির অর্থনীতি


রতন খাসনবিশমুখবন্ধ নরেন্দ্র মোদির সরকারকে ঘিরে এ দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা বিপুল। গড়পড়তা পরিবারের আশা, মূল্যবৃদ্ধিতে এবার রাশ পড়বে, বাজারে গিয়ে দেখা যাবে প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দামই তাদের আয়ত্তের মধ্যে এসে গেছে। শিক্ষিত যুবক-যুবতির আশা, এবার চাকরির বাজার খুলে যাবে, যাকে ‘ডিসেন্ট জব’ বলে অর্থাৎ যাতে মাইনে ভালো এবং কাজ ছাড়লে সমমানের কাজ পাওয়া যায় অতি
 
 

সাম্প্রতিক বাংলা আখ্যান: নয়া উদার অর্থনীতির নানা প্রতিক্রিয়া


সৌভিক ঘোষাল১ ১৯৯১ থেকে ভারতবর্ষ এক নতুন ধরনের অর্থনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি হল। পরবর্তী ২৫ বছর ধরে আমরা একটানা এই আর্থিক নীতিমালাকেই অনুসৃত হতে দেখছি। শুধু ভারতে নয়, গোটা বিশ্বজুড়েই এই একঢালা আর্থিক কাঠামো অবস্থান করছে। নব্য উদার অর্থনীতি বলে একে আমরা চিনেছি। যার মূল তিনটি দিক হল লিবারালাইজেশন, প্রাইভেটাইজেশন ও গ্লোবালাইজেশন। নতুন যে পরিবর্তনটা আর্থিক কাঠামোর
 
 

রুশ বিপ্লবের কথা


lenin_trotsky_rally১ অষ্টাদশ শতকের শেষের দুই দশক ফরাসি বিপ্লবের দশক। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দুই দশক রুশ বিপ্লবের দশক। এই দুই বিপ্লবের মধ্যে রক্তের আত্মীয়তাও গাঢ়। ক্রুপস্কায়া স্মরণ করেছেন উত্তরাঞ্চলের সোভিয়েত কংগ্রেসে বলশেভিক প্রতিনিধিদের উদ্দেশে ফিনল্যান্ড থেকে লেখা লেনিনের শেষ চিঠির কথা। সে চিঠির পঞ্চম দফার দ্বিতীয়াংশে ছিলেন কার্ল মার্কস। সব বিপ্লবে সশস্ত্র অভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে যে শিক্ষা
 
 

ভগৎ-এর ‘ভূত’


vagat singhপ্রথম পর্ব A spectre is haunting the ruling classes … সাল ২০১৫। মাস অক্টোবর। আমার বয়েস সাড়ে চোদ্দ। ঠিক তখনই আমার হাতে একটা চটি বই এসে পৌঁছলো। বইটার নাম যতটা না খেয়াল করলাম, তার থেকেও বেশি খেয়াল করলাম লেখকের নামটা। বইটা হলো হোয়াই আই অ্যাম অ্যান এথেইস্ট, লেখকের নাম লেখা ছিল শহীদ-এ আজম ভগৎ সিং।এই
 
 

নতুন আলো


সৌম্য ভট্টাচার্য  পর্ব ২৫ প্রেমাঙ্কুরদের বাড়ির কাছেই অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি মিশন। তার অধিকর্তা ক্রিশ্চান পাদ্রি রেভারেন্ড ব্রাউন। অতি মহাজন মানুষ তিনি। সারা পৃথিবীকে প্রেমের দৃষ্টিতে দেখেন। দুনিয়ার কারো সঙ্গে তাঁর অবনিবনা নেই। রাস্তা দিয়ে যখন চলেন, তখন রাজ্যের ছেলে ঘিরে থাকে তাঁকে। পকেট থেকে লজেন্স, মিষ্টি, ছবির কার্ড তাদের অকাতরে বিলোতে থাকেন ফাদার ব্রাউন। রাস্তাঘাটে চেনাজানা লোক
 
 

ধনঞ্জয়ের ফাঁসি সংক্রান্ত কিতাব: এক পাঠকের প্রতিক্রিয়া


দেবপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়হঠাৎ করেই খেয়াল করছি চারপাশে ক্রাইম থ্রিলারের মারাত্মক আধিপত্য। গোয়েন্দা কাহিনি নিয়ে সিনেমা, টিভি সিরিয়ালের হিড়িক পড়ে গেছে। রিয়েল লাইফের অপরাধ যে বেড়েছে তা ন্যাশানাল ক্রাইম ব্যুরোর রেকর্ডের উর্দ্ধমুখী গ্রাফ দেখলেই মালুম হয়। অবিশ্যি সেটা নথিভুক্ত অপরাধের। অ-নথিভুক্ত অপরাধের রেজিস্টার নেই এ দেশে। এফআইআর বা জিডি করার ঝকমারি অনেক। রিয়েল লাইফের অপরাধ সমৃদ্ধি কি রিলের
 
 

খালেদ হোসাইনের কবিতা


kaled hossainনা, শুধু আনন্দের জন্য নয়   না, শুধু আনন্দের জন্য নয় সুখ-দুঃখের বিচিত্র অভিজ্ঞতার জন্য দীর্ঘকাল বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে অনন্ত যতদিন তুমি বেঁচে থাকবে, ততদিন।   মেঘের চেয়েও দ্রুত তোমার মন বদলায়। খুবই আকস্মিকভাবে আমার সঙ্গে সব সম্পর্ক চিরতরে শেষ করে দাও। আর তারপর এক অন্তহীন কান্নার মৌসুম। তুমি ভুলে যাও, বলেছিলে, সম্পর্ক কখনো
 
 

সুড়ঙ্গনগরী


subhankarপর্ব ৩.   জীবনরেখা   ‘রেখার ছবি তোমার কেমন লাগে?’ ‘তেমন একটা দেখা হয়ে ওঠেনি।’ ‘সে কী! সিলসিলা দ্যাখোনি?’ ‘না।’ ‘উমরাও জান?’ ‘না।’ ‘উৎসব?’ ‘না।’ ‘খুন ভরি মাংগ্?’ ‘নাহ্।’ ‘খিলাড়িয়ো কা খিলাড়ি?’ ‘নো ওয়ে!’ ‘তবে তুমি কী দেখেছ, অভিদা! ধুর্, তোমার সঙ্গে বন্ধুত্বটা একদম জমবে না দেখছি।’ সেন্ট্রাল লাইব্রেরি ছেড়ে ওরা মাঠের ধারে এসে গিয়েছিল।
 
 
 
 
top