ধর্মে আছি জিরাফে নেই

 

পুলিশের সবাই শ্রীনিবাস কনস্টেবল বা দ্বীপাঞ্চলের ঘুমকাতুরে দারোগা নয়। সেটা কয়েকদিনেই টের পেয়েছিল বিশ্বজিত বাউল। তিনদিন তাকে লকআপে কাটাতে হয়। একদিন রাতে এলেন সাব ইনস্পেকটর অনাথবন্ধু ভাণ্ডারী। দৈর্ঘ্য পাঁচ ফুট কিন্তু পরিধি তিন ফুটের কম নয়। থপথপে চেহারা, মাথাজোড়া টাক। ছোট ছোট লাল ছোপ পরা দাঁত, চওড়া কপাল। পুরো চেহারাটা চ্যাপটা ধরণের। লকআপে ঢুকতেই আলোটা নিভে গেল। যতটুকু সময় ওঁকে দেখেছে বিশ্বজিত বাউল যখন উনি লকআপের বাইরে সিগারেট খাচ্ছিলেন। সিগারেট শেষ করে লকআপে যখনই ঢুকলেন, বিশ্বজিত বাউলের মাথার ওপর বাল্বটা বোধহয় ওঁর নির্দেশেই নিভে গেল।

তুমিই বাউল?

হ্যাঁ, হুজুর

অন্ধকারে কাউকে দেখতে না পেলেও শূন্য অন্ধকারে উত্তর ছুঁড়ে দিল বিশ্বজিত বাউল।

খুনটা তুমি নিজের চোখে দেখেছ?

খুনি হলেও কুসুমদির দিল খুব সাদা

অন্ধকার হলেও বিশ্বজিত বাউল অনুভব করল প্রশ্নকর্তার চোয়াল নিশ্চয় সরু হয়ে উঠেছে। এক লহমায় তুমি সম্বোধন থেকে তুইতে নেমে এলেন অনাথবন্ধু ভাণ্ডারী।

শো, সত্যি কথা বলে আমায় সাহায্য কর। আমার শুভদৃষ্টি যার দিকে পড়ে, জেলের ঘানির সাতপাক তাকে ঘুরতেই হয়

মাকে কী করতে হবে স্যার?

রকিয়া যখন করেছিস, আমি যা বলব তুই তা বলবি

হাসল বিশ্বজিত বাউল। দেখা না গেলেও ওপারে বসা পুলিশ অফিসার টের পেলেন। মুখখানা নিশ্চয় খুব গম্ভীর হয়ে গেল!

স্যা, আমি ওকে কুসুমদি ডাকতাম। আমার মনে পাপ থাকলেও কুসুমদির মনে কোনো পাপ ছিল না

সিগারেট ধরালেন অফিসার। ধোঁয়ার কড়া গন্ধ নাকে এসে লাগছে।

আসামী তবে খুন করল কেন?

র তুই তখন ছিলি কেন?

সংক্ষেপে বলল বিশ্বজিত বাউল। দুঁদে অফিসার খুব একটা প্রতিবাদ করলেন না। তেমন কোনো খিস্তিও দিলেন না। তবে হঠাৎ উঠে এসে বিশ্বজিত বাউলের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে বললেন, ত্যি বলছিস তো? অনাথবন্ধুর নিশানা অব্যর্থ

স্যা, আমাকে বিশ্বাস করতে পারেন

এরপর মৃগাঙ্ক উকিলের বিশ্বজিত বাউলকে জামিন নিয়ে বের করতে বেশি সময় লাগেনি। মৃগাঙ্ক উকিল চেম্বারে ফিরে এসে দেখলেন বাউল ছেলেটা তখনও বসে রয়েছে। তার সঙ্গে দুটো ছেলেমেয়েও রয়েছে। অনেকেই বারণ করেছে কেসটা নিতে, এছাড়াও এধরণের আসামীর শাস্তি লঘু করে কঠিন। স্বামীকে খুন, পরকীয়া, অনেক কিছু শোনার পরও ক্লায়েন্টের কথাগুলি বিশ্বাস করতে পারছেন না। হয়ত এক্সট্রিম প্রোভোকেশন ওকে বাধ্য করেছে! কিন্তু এই ছেলেটির এত দরদ আর সঙ্গের ছেলেমেয়ে দুটোকে দেখে মেজাজ খারাপ হয়ে গেল মৃগাঙ্ক উকিলের। এই দ্বীপাঞ্চলের ষাট শতাংশ মানুষ এসেছে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে। কিছুই ছিল না একদিন এই দ্বীপাঞ্চলে। তারাই আনল পরিবর্তন। এখনকার মানুষ দেখল একটি বিশাল গাছে গুঁড়ি আর তার কাঠ খুঁড়ে খুঁড়ে তৈরি হল কোন্দল। তার নাম নৌকা। সেখানেই থেমে থাকল না অনুপ্রবেশকারী মানুষগুলি। নৌকার সঙ্গে আরও বাহার যুক্ত করে, যোগ করে দিল যন্ত্র। তার নাম ট্রলার। সেই ট্রলারে করে মাঝ সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া। বানিজ্য আর সম্পদ, দ্বীপাঞ্চলে দুটো নিয়ে এল এই চাটগাঁর মানুষেরা।

সুন্দরবনের এই অঞ্চল শ্বাপদসঙ্কুল। কিন্তু চট্টগ্রামের তিরতিরে নদী পার হয় পাইথন শম্বুক গতিতে। ফলে অনুপ্রবেশকারীরা সাপকে ভয় পেল না। জঙ্গল সাফ হল, গড়ে উঠল নগর। কিন্তু এদের ছেলেমেয়েরা কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে পরে, ভোটার কার্ড নেই। এদের বাবা-মায়েরা বৈধভাবে নাগরিক ছিল না কখনো। ফলে সন্তান সন্ততিদেরও সেই অবৈধতার দায় বয়ে বেড়াতে হচ্ছে।

তুমি বিয়া করছিলা? ছেলেমেয়ে দুটোর দিকে বিষদৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন মৃগাঙ্ক উকিল।

না, কুসুমদির ছেলেমেয়ে। এদের অবস্থা দেখলে আপনার দয়ে হবে না!

না, হবে না চীৎকার করে উঠল মৃগাঙ্ক উকিল।

ছেলেমেয়ে দুটো এতক্ষণ চুপ করে বসছিল না। ঘরের টুকিটাকি জিনিস ধরছিল। তারাও চুপচাপ বসে রইল। ইলেকট্রিক বিলের পয়সা ওঠেনি। মৃগাঙ্ক উকিল লজেন্স খান খুব। পকেট থেকে বার করে লজেন্স দিলেন ছেলেমেয়ে দুটোকে। বিশ্বজিত বাউল বুঝল পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে, উকিলবাবুর মেজাজ শান্ত হয়েছে। তবুও সে চুপ করে রইল। মৃগাঙ্ক উকিলই কথা শুরু করলেন।

টাকা পয়সা কিছু এনেছ?

বিশ্বজিত বাউল সম্মতিসূচক মাথা নাড়ল। পকেট থেকে দশ টাকার দোমড়ানো দুটো নোট বার করে উকিলবাবুর হাতে দিল। এবার প্রবল আক্রোশ নিয়ে মৃগাঙ্ক উকিল বিশ্বজিত বাউলের নোট দুটো গ্রহণ করে গর্জন করে উঠলেন, মাধুকরি দিচ্ছ নাকি? কুড়ি টাকা দিয়ে খুনের মামলা লড়ব?

র পারি নাই স্যার

উত্তর শুনে জ্বলে উঠল মৃগাঙ্ক উকিল।

পারি নাই তো অ্যাইলা ক্যান? নিজেও তো গরাদে পঁইচ্যা মরতা

ত লাগব স্যার?

বিস্তর টেঁয়া লাগব।পারবা কিনা কও?

চেষ্টা করব স্যার। উকিলবাবু আপনার জন্য আরো দুইখান জিনিস আনছি

বলেই বিশ্বজিত বাউল নোংরা একটা থলে থকে শুঁটকি আর লিইট্যা মাছ বের করল। মৃগাঙ্ক উকিল এবার প্রসন্ন হলেন।

মার বউ হইল গিয়া চাটগাঁয়া। রন্ধনের হাত খাসা

থলের মধ্যে থাকা লিইট্যা মাছগুলো দেখে বেশ উল্লসিত হলেন মৃগাঙ্ক উকিল। তারপর বললেন, বার কাজের কথায় আসি। তোর কুসুমদির ফাঁসি বা যাবজ্জীবন আমার পক্ষে রোখা কঠিন। জজ সাহেব কঠিন ধাতুর মানুষ

বিশ্বজিত বাউল পা জড়িয়ে ধরল মৃগাঙ্ক উকিলের।

মৃগাঙ্ক উকিল বললেন, তোমার সাক্ষ্য তেমন গ্রাহ্য হবে না। সাক্ষী ভাড়া করতে হবে। দুঁদে সাক্ষী, বিরোধী উকিলের হাজার জেরায়ও যে টলবে না

মন সাক্ষী আছে স্যার?

বৈরাগী পাখিরা। কিন্তু প্রচুর টাকার খাই। কেসে হাজিরার জন্য দেড়শো আর সাক্ষ্য দিতে হলে রোজ প্রতি পাঁচশো

বিশ্বজিত বাউল বলে উঠল, দেবো স্যার

হাসল মৃগাঙ্ক উকিল।

মামলা কতদিন চলতে পারে তোর আন্দাজ আছে?

তুমি থেকে তুই সম্বোধনে চলে এলেন মৃগাঙ্ক উকিল। ভিতরে ভিতরে উত্তেজিত হচ্ছেন। ওঁর সওয়াল হয়ত খবরের কাগচে পাতা ভর্তি করে বেরুবে। তবে কেস সাজাতে হলে এখনই বৈরাগী পাখিরাকে নিয়ে আসা দরকার। মুখে বললেন, জেল কিন্তু খুব খারাপ জায়গা নয় রে। খাবার দাবার পাবে, পথ্য পাবে। প্রথম প্রথম পোলাপানগুলোর মুখ মনে পড়বে, তারপর আর নয়। গৃহের স্মৃতি শিথিল হইয়া যাইব

আকুল পাথারে পড়েছে বিশ্বজিত বাউল।

তোর দিদির ফাঁসি হইব না। যাবজ্জীবন দশ বছর সশ্রম কাটাইলে মকুব হইয়া যায় এরপর বিড়বিড় করে বলে ওঠেন, ইমপ্রিজনমেন্টের আসল কষ্ট ভুগবে এই দুই পোলাপান

দীর্ঘশ্বাস পরে মৃগাঙ্ক উকিলের।

 

মৃগাঙ্ক উকিলের চাটগাঁয়া বউ বেশ জুত করে রান্না করল লইট্যা মাছ ও হুনি। মৃগাঙ্কর বাবা-মাও পূর্ব বাংলার মানুষ, তবে চাটগাঁয়া নন। মৃগাঙ্ক উকিল বৈরাগী পাখিরাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। সে এলে কেসতা সাজাতে হবে। টাইপ, কাজচ এসব বাবদ একগাদা খরচ করতে হবে। বউ জানলে আর রক্ষে নেই।

মৃগাঙ্ক উকিল অনেক রাত অবধি কখনও জেগে থাকেন না, তবে ভোরে ওঠেন। বউ অনেক রাত অবধি টিভি দেখে। যখন সে বিছানায় আসে, মৃগাঙ্ক ঘুমে কাদা। নাসিকা গর্জন বেশি করলে বউ ধাক্কা দেয়। তখন কিছুক্ষণের জন্য জেগে ওঠেন মৃগাঙ্ক। চোখ খুলে অপরাধের মাত্রা আন্দাজ করতে পারেন না। আবার ঘুমিয়ে পরেন। ওঁদের কোনো ছেলেপুলে নেই। ডাক্তার, হেকিম অনেক করে শেষমেশ জানা গেছে দোষটা মৃগাঙ্কের। এই নিয়ে বউয়ের গঞ্জনা অনেক শুনতে হয়েছে, তবে অন্য ভয় নেই। বউ কালো, মোটা, কুরূপা।

বউয়ের জেলা যদি চাটগাঁ হয়, মৃগাঙ্কের ময়মনসিংহ। যদিও মৃগাঙ্ক নিজের চোখে সেই দেশ দেখেনি। বাবার কাছ থেকে শুনেছেন। ময়মনসিংহ ছিল ইংরেজশাসিত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়ো জেলা। ব্রহ্মপুত্র, যমুনা এই দুটো নদী ময়মনসিংহ জেলাকে শস্যশ্যামলা করে রাখত। এছাড়াও ময়মনসিংহ গীতিকবিতার দেশ। বউকে অবশ্য এসব বলে মাত করা যায় না। সে সূর্য সেনের দেশের মেয়ে। নিরিহ, অহিংস আন্দোলন নয়, চট্টগ্রাম সশস্ত্র আন্দোলনের ভিত্তিভূমি। একদিন স্বাধীনতার সূর্য জালালাবাদ পাহাড়েই উঠেছিল। বউ কালো এবং কুরুপা হওয়াতে মৃগাঙ্ক উকিলের ঘরনি নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। মুখরা, দজ্জাল হলেও সে মৃগাঙ্ক উকিলের যত্ন করে।

মৃগাঙ্ক উকিল আজ ঘুমিয়েই স্বপ্ন দেখতে শুরু করলেন। সুরমা বিছানায় এসে দেখল পরিচিত নাসিকা গর্জন আজকে শোনা যাচ্ছে না। এই শব্দ শুনতে শুনতে এমন অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে সে যে তার ভয় করতে লাগল এই ভেবে যে মানুষটার কিছু হয়নি তো! দাদা এসেছিলেন, বললেন, মৃগাঙ্ক কী পাগল হয়ে গেছে? এমন খুনির পক্ষে কেউ মামলা লড়ে? চারিদিকে মানুষ আমাদের ধিক্কার জানাচ্ছে। এমন নৃশংস খুন সচারচর খবর হয়নি সুরমা উত্তরে বলেছে, দাদা, উকিলের কি পাপ-পুণ্য, ন্যায়-অন্যায় দেখলে চলে? তার কাছে মামলাই আসল কথা। মেয়েটি খুন করেছে, কিন্তু তার স্বামীও অত্যাচারী ছিল এরপর দাদা আর কিছু বলেননি। তবুও ভয় হয়! এমন নিরিহ, গোবেচারা মানুষ এমন কেস নিল কেন! অন্য কোনো গোপন ব্যাপার নেই তো! সুরমা অবশ্য বেশি ভাবতে পারে না। নাক সেও ডাকে। কখনও কখনও নিজেও শুনতে পায়। তখন সতর্ক হয়ে ওঠে কিন্তু মৃগাঙ্ক কিছু টের পায় না।

দ্য সেইড কুসুম দাসি বি হ্যাংড বাই দ্য নেক টিল শি বি ডেড।

আদালত চত্বরে কোনো শব্দ নেই। দণ্ডদাতা নির্বিকার মুখে রায় শোনালেন। কাঁদছে বিশ্বতিত বাউল, কাঁদছে শ্রীনিবাস কনস্টেবল। মৃগাঙ্ক উকিলের চোখে জল। বিপুল কর সমবেদনায় পিঠে হাত রেখেছে। কুসুমকে কাঠগড়া থেকে নামানো হচ্ছে। ছেলেমেয়ে দুটো দৌড়ে মাকে ছুঁতে এল, মা, মা! এই প্রথম চোখদুটো দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। পাশে শুয়ে থাকা সুরমা ভয় পেয়ে গেল। মুখ দিয়ে গোঁ গোঁ শব্দ হচ্ছে মৃগাঙ্ক উকিলের। জোরে ঠেল দিতে ঘুম ভাঙল। মুখ থেকে লালা গড়িয়ে পড়ে বালিশের ঢাকনা ভিজে গিয়েছে।

কী গো? স্বপ্ন দেখছিলে বাজে কিছু?

মৃগাঙ্ক উকিলের এক ভয়ংকর স্বপ্নের হাত থেকে রেহাই হল। স্বাভাবিক হতে সামান্য সময় নিলেন মৃগাঙ্ক।

ত্যিই বাজে স্বপ্ন

আঁরে কওন ন যার

সুরমার চাঁটগার ভাষা বেরিয়ে পড়ে। আস্তে আস্তে বললে সবটাই বোঝেন মৃগাঙ্ক উকিল।

লা যাবে না কেন! বলছি তোমায়। একটু জল এনে দেবে আমায়?

সুরমা কখনও বোতলে জল এগিয়ে দেয় না। কাঁচের গ্লাসে জল দিল সে। মৃগাঙ্ক উকিল জল কম পান করেন। কিন্তু এই সময় তিনি সুরমার কাছ থেকে দু গ্লাস জল চেয়ে নিলেন। সুরমা ফ্যানের স্পিড বাড়িয়ে দিল। পাওয়ার হাউসের আলো অদূরের পুকুরের জলে বিম্বিত হচ্ছে। অপেক্ষা করছে সুরমা স্বামী কী বলতে চান তার জন্য।

স্বপ্নে দেখলাম মেয়েটার ফাঁসির আদেশ হয়েছে

কুন মায়াছিলার কতাহ কোন অনে আবার চাটগাঁয়া ভাষা মিশিয়ে বলল সুরমা।

ই যে পতিঘাতিনী মায়ামানষের কেসটা আমি নিছি না

সুরমা অপেক্ষায় ছিল এমন কিছুই দেখে থাকবেন উনি। জানালা দিয়ে চাঁদের আলো আসছে। লাইট নিভিয়ে দিলেন মৃগাঙ্ক। মন্দ লাগছে না সুরমাকে। অন্যরকম কিছু করার ইচ্ছে করছে। সুরমা ছিটকে গেল।

ই কেস আপনার নেওয়া চলবে না

সুরমা কখনও কখনও মৃগাঙ্ককে আপনি বলে সম্বোধন করে। বিশেষ করে সে যখন কিছু প্রার্থনা করে।

থা দিছি। লইট্যা মাছ আর হুনি দিছে

ছিঃ! দাম দিইয়া দেন। খুনের মামলায় মাছ দিছে! যদি লড়েন, পয়সা কড়ি দিব কিছু?

মৃগাঙ্ক উকিল মিথ্যে করে বললেন, প্রচুর টাকা দিতে পারে

বিশ্বাস করল না। স্বামীকে সুরমা চেনে। কথা শুনবে না এমন একটি ইঙ্গিত পেয়ে, সুরমা নিজের রূপে ফিরে গেল।

ডাইন মায়া, তুমার হঙ্গেঁ সম্পর্ক আছিল

আকাশ থেকে পড়লেন মৃগাঙ্ক উকিল। কেসটা তিনি এখনও কিছু সাজাতে পারেননি। বৈরাগী পাখিরা না এলে তিনি একা কিছুই করতে পারবেন না। তাই সুরমাকে বললেন, কেসটা অহনও লই নাই

(ক্রমশ…)

 
 
top