যাদুঘরের জাপানযাত্রী

 

পর্ব ১

কর্মসূত্রে জাপান যাচ্ছি শুনে ফেসবুকে আমার এক বন্ধু জিজ্ঞেস করেছিলেন দ্বিতীয়বার জাপানযাত্রী লেখা হচ্ছে কিনা। সঙ্কুচিত হয়েছিলাম, খানিকটা লজ্জিত হয়ে অন্য পোস্টে সরে গিয়েছিলাম। পরে মনে হয়েছিল, কলকাতার ভারতীয় যাদুঘরের কর্মী হিসেবে যখন কর্মোপলক্ষে আমায় জাপান পাঠানো হচ্ছে, তখন জাপানযাত্রী-র তকমা না লাগিয়েও জাদুঘরের জাপানযাত্রী ভাবতে ক্ষতি কোথায়? অন্তত আমার এই জাপানযাত্রাকে একটু অন্য চোখে দেখা যেতেই পারে। এই সাহসে ভর করেই আমার এই লেখার অবতারণা।IMG_20150516_194904078DSCN2094

ভারতের বৌদ্ধ শিল্পকলা শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কলকাতার যাদুঘরের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছিল চিনের সাংহাইতে। সাংহাই থেকে প্রদর্শনী এসেছিল জাপানের টোকিওতে। এবার টোকিও থেকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে আসার পালা। আমি আর আমার সঙ্গী, শিক্ষা আধিকারিক, সায়ন ভট্টাচার্যের ওপর ভার পড়েছিল ওই প্রদর্শনীর কুশীলবদের বিমানে চড়িয়ে সিঙ্গাপুর উড়িয়ে নিয়ে আসার এবং তারপর সিঙ্গাপুরের উদ্যোক্তাদের হাতে তাঁদের সঁপে দেওয়ার, কারণ এবার প্রদর্শনী সিঙ্গাপুরে। নিঃসন্দেহে এই কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে মনের রঙে তাকে রসিয়ে, রাঙিয়ে না তুললে আগাগোড়া কাজটি একটি নীরস দায়িত্বপালনে পর্যবসিত হবে। বস্তুত আমি আর সায়ন, কেউই এইভাবে কর্মে চারণ করতে প্রস্তুত ছিলাম না। তাই এই রসের ধারা রঙে মাতোয়ারা।IMG_20150517_111452469 IMG_20150517_111552876_HDR

২০১৫-র ১৬ মে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে সারাদিন ফেসবুক আর হোয়াটস্যাপে চুটিয়ে আড্ডা মেরে রাতের বিমানে টোকিও রওয়ানা হলাম। ১৭ তারিখ রবিবার সকালে টোকিওতে নেমে সোজা আমাদের হোটেলে চলে আসা। হোটেলটি টোকিওর যে মহল্লায়, সেই মহল্লা ইউয়েনোতেই টোকিওর জাতীয় সংগ্রহশালা, যেখানে ভারতের বৌদ্ধ শিল্পকলার প্রদর্শনী চলছে। চলছে মানে সেদিনই প্রদর্শনীর শেষ দিন। তার পরের দিন থেকেই খেলা ভাঙার খেলা। তাতে সামিল হব আমি আর সায়ন। যাই হোক, যে মহল্লাতে এই যাদুঘর আর আমাদের হোটেল, সেই মহল্লাটির নাম ইউয়েনো পার্ক। ইউয়েনো পার্ক নামে অঞ্চলটি বিশেষ ঐতিহ্যবাহী। এটি একটি পার্ক বা উদ্যান তো বটেই, আয়তনের দিক থেকে কলকাতার ময়দান না হলেও কম কিছু নয়। এই উদ্যানের অনেকটা অংশ জুড়ে রয়েছে একটি সরোবর যার পোষাকি নাম শিনোবাজু পন্ড।IMG_20150517_112423072_HDR

তাইতো বিভাগের ইউয়েনো জেলায় শিনোবাজু পন্ড নিয়ে ইউয়েনো পার্কের অবস্থান মধ্য টোকিওতে। ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বিনোদন, সবকিছুর নিরিখে এই ইউয়েনো পার্ক টোকিওর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রমোদ উদ্যান। ইউয়েনো পার্কটির যা জমি-জায়গা তা একসময়ে কানেইজি মন্দিরের সম্পত্তি ছিল। এদো যুগের তাকুগাওয়া উপজাতির সম্পত্তি এই মন্দিরটি টোকিও শহরের সর্ববৃহৎ এবং সম্পদশালী মন্দিরের অন্যতম। ১৮৬৮ সালে মেইজি সরকারের পুনরুত্থানের পর বোশিনের গৃহযুদ্ধে কানেইজি মন্দির যার-পর-নাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৮৭৩ সালে যুদ্ধ শেষে মন্দিরের পুনুরুদ্ধারের সাথে সাথেই এই ইউয়েনো অঞ্চলকে পাশ্চাত্যের অনুকরণে ইউয়েনো পার্কে রূপান্তরিত করা হয় এবং এটিই ছিল সর্বসাধারণের জন্য জাপানের প্রথম প্রমোদ উদ্যান।IMG_20150517_111321029 IMG_20150517_110402543

ইউয়েনো পার্কের জনপ্রিয়তার নানা কারণের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বসন্তে ফোটা চেরি ফুলের মেলা। মার্চের শেষ ও এপ্রিলের শুরুতে এই ফুলের আগুন লাগে। আর তাই দেখতে জাপানিরা তো বটেই, সারা দুনিয়া থেকে পর্যটক আসেন চেরি ফোটার উৎসবে মেতে উঠতে। সবাই একসঙ্গে জড়ো হন হানামি পার্টিতে। এ যেন শান্তিনিকেতনের গৌড় প্রাঙ্গণে বসন্ত উৎসব! পার্কের দক্ষিণ-পশ্চিম অঙ্গনটি জুড়ে যে শিনোবাজু সরোবর তা কানেইজি মন্দিরের পুরোন গরিমাকে মনে করিয়ে দেয়। একসময় এই সরোবর মন্দির ও তার চারিপাশের আবহের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। আজকের শিনোবাজুতে নৌকাবিহার হয় আর বাকী অংশ শাপলা আর পদ্মফুলে ভরে আছে। সরোবরের মাঝে একটি দ্বীপ এবং তার মধ্যে সৌভাগ্য, সম্পদ, সঙ্গীত ও জ্ঞানের দেবী বেনটেনের মন্দির বা বেনটেনডো। সপ্তদশ শতকে এই মন্দির নির্মাণ করেছিলেন মিজুনয়া কাৎসুতাকা। দ্বীপে অবস্থিত বলে প্রথমদিকে এই মন্দিরে আসতে হলে নৌকার সাহায্য নিতে হত। পরে এই শতকেরই শেষদিকে একটি সেতু নির্মাণ করে দেওয়ায়, এই মন্দিরে জনসমাগম শুরু হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, ১৯৪৫-, মার্কিন বিমান হানায় বেনটেনডো ধ্বংস হয়ে যায়। মন্দিরটি পুনর্নির্মিত হয় ১৯৫৮-তে। এই মন্দিরের ভিতরকার অলংকরণে কোদামা কিবো এবং তানি বুঞ্চের মতো প্রখ্যাত জাপানি শিল্পীরা কাজ করেছেন। রবিবারের ভরদুপুরে আমরা যখন এই বেনটেনডোর সামনে গিয়ে উপস্থিত হলাম, দেখলাম যেন মেলা বসেছে। দোকানে নানা রকমের খাবার বিক্রি হচ্ছে, তাতে মধ্য প্রাচ্যের কাবাবের পশরাও চোখে পড়ল। মন্দিরের ঠিক সামনে দেখলাম ভক্তরা এক বিচিত্র উপায়ে পবিত্র জল বা তীর্থবারি ভক্তিভরে গ্রহণ করছেন। তীর্থবারি গ্রহণ করার পদ্ধতটি আমাদের কাছে অভিনব লাগলেও, মনে হল ধরণটি সাবেকী। পরে কিয়োমিজু ক্যাননডোতেও একই রকমের জলপান করা প্রত্যক্ষ করলাম।IMG_20150517_112200922_HDR

জাপানি ইতিহাসে এদো যুগে কানেইজি মন্দিরের বিরাটত্ব এবং বৈভবের কোন সীমা ছিল না। বোশিন যুদ্ধে কানেইজি প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়। ধ্বংসের পর ইউয়েনো পার্কের আনাচে কানাচে যা পড়ে আছে তা কানেইজিরই অংশ বিশেষ, যেমন তোশোগু দেবালয়। এদো শোগুনাতের প্রতিষ্ঠাতা তকুগাওয়া লেভাশুর উদ্দেশ্যে নিবেদিত তোশোগু মন্দিরের প্রতিষ্ঠা হয় ১৬১৬-তে। ১৬৬৮ অবধি এই মন্দিরটি কানেইজির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবেই ছিল। এছাড়া পাঁচতলা প্যাগোডাসহ আরও একটি অবশেষ। এদের তুলনায় ইউয়েনো পার্কের উত্তর পশ্চিমে আজকের কানেইজির মূল মন্দিরটি কিন্তু বেশ অনাড়ম্বর এবং নির্জন।

কিয়োমিজু ক্যাননডো, মানে কিয়োমিজু মন্দির, বলাই বাহুল্য, কানেইজিরই অংশবিশেষ এবং ১৬৩১-এ নির্মিত। তবে অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে কিয়োমিজুতে গিয়ে আমার কেমন যেন মন্দিরের থেকেও বেশি মঠ-মঠ মনে হচ্ছিল। এ পথ, সে পথ ঘুরে যখন কিয়োমিজু প্রাঙ্গণ থেকে বেরোচ্ছি, দেখি একটি মন্দির স্যুভেনির শপ। মনে হল, আজকের মন্দির বা মঠ, যাই হোক না কেন, তাদের বাঁচিয়ে রাখতে গেলে বিপণনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। যাই হোক, কিয়োমিজু আদতে একটি জাপানি ধর্ম শাস্ত্রের দেবীকল্পনা, তাঁরই অধিষ্ঠান। মানে কোসোদাতে শাস্ত্রের দেবীরূপ হলেন আমাদের ষষ্ঠী ঠাকুরণের মতো। তাঁর মহিলাদের মধ্যে জনপ্রিয় হওয়ার কারণ তাঁদের সন্তান লাভের কামনা তিনি পূরণ করেন। 

এদো যুগে এই ইউয়েনো পার্কে তখনকার কানেইজি মন্দির চত্বরে দাইবুৎসু যম নামে একটি টিলার শীর্ষে বড়ো বুদ্ধমূর্তি ছিল। শোনা যায়, সামন্ত রাজা হোরি নাওয়োরি ১৬৩১ সালে এই বুদ্ধমূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করেন। ২৮০ সেন্টি মিটারের এই উপবিষ্ট বুদ্ধমূর্তিটি ১৬৪৭ সালের ভূমিকম্পে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। এরপর এদোর নাগরিকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে জিওউন নামে এক সন্ন্যাসী আর একটি উপবিষ্ট বুদ্ধমূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন যার উচ্চতা ৩৬০ সেন্টি মিটারের মতো। ১৯২৩ সালে ক্যান্টোর ভূমিকম্পে মূর্তিটির মাথার অংশটি দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যায়। রয়ে যায় শুধু দেহ ও বেদির ভাগটি। সম্ভবত এই দ্বিতীয় বুদ্ধমূর্তিটি ধাতব ছিল। কেন না, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ধাতু অধিগ্রহণ আইনের বলে বেদিসহ দেহের অংশ সরকার নিয়ে নেয় যুদ্ধকালে ধাতব অস্ত্রশস্ত্র তৈরি করার অভিপ্রায়ে। শুধু পড়ে যাওয়া মাথার অংশটি স্থান পায় কানেইজি মন্দিরে। ১৯৬৭-তে টিলার ওপর একটি দেওয়াল উঠিয়ে তাতে ওই খণ্ডিত মস্তকটি রিলিফের আঙ্গিকে লাগিয়ে দেওয়া হয় এবং ওই স্থানে ১৯৭২-এ ইউয়েনো পর্যটক সমিতির পক্ষ থেকে বর্তমান প্যাগোডাটি নির্মিত হয়।

মঠ-মন্দির ছাড়া ইউয়েনোতে রয়েছে একাধিক মিউজিয়াম। ইউয়েনো পার্কের উত্তর প্রান্তে টোকিওর জাতীয় সংগ্রহশালা সেখানে সন্দেহাতীতভাবে মধ্যমণি। তবে এছাড়াও রয়েছে জাতীয় বিজ্ঞান সংগ্রহশালা যেখানে প্রকৃতি ও ভৌত বিজ্ঞানের পাশাপাশি রয়েছে রোবটিক্সসহ প্রযুক্তি বিজ্ঞানের আকর্ষণীয় প্রদর্শনী।

টোকিও মেট্রোপলিটন আর্ট মিউজিয়মের কোন পাকাপাকি সংগ্রহ নেই। বছর তিনেক আগে নতুন করে খোলা এই মিউজিয়মে নানা শিল্পগোষ্ঠী ছয়টি গ্যালারিতে অস্থায়ী প্রদর্শনী করে চলেছেন। পাশ্চাত্য শিল্পকলায় সমৃদ্ধ ন্যাশানাল মিউজিয়ম অব ওয়েস্টার্ন আর্ট মূলত ইউরোপিয় শিল্পীদের কাজই তুলে ধরেছে। এখানে স্থায়ী প্রদর্শনীর পাশাপাশি রয়েছে অস্থায়ী প্রদর্শনীও। ইউয়েনো পার্কের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে শিতামাচি মিউজিয়ম মেইজি থেকে শোয়া যুগ পর্যন্ত পুরনো টোকিওর জীবনযাত্রাকে ফিরিয়ে এনেছে।

মিউজিয়ম ছাড়া আর রয়েছে চিড়িয়াখানা, ইউয়েনো জু। অন্যান্য পশুপাখির সঙ্গে এখানকার সর্বোৎকৃষ্ট আকর্ষণ অতিকায় পান্ডা। ভালুকের মতো এই জন্তুটি রয়েছে ১৯৭২-র চিন-জাপানের স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপনের স্মারকরূপে।

সত্যি কথা বলতে কী, কানেইজির এই জমি-জায়গা ইউয়েনো পার্ক না হলে যে কী হত, তা স্বয়ং ঈশ্বরই জানেন। কারণ প্রস্তাবতো ছিলই, তার রূপায়নও ছিল নানারকম। প্রস্তাব ছিল এই জায়গায় একটি হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল স্কুল স্থাপন করার। শেষ পর্যন্ত একজন ডাচ ডাক্তারবাবু বাউডুইনের পরামর্শ অনুসারে একে পার্কে পরিণত করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক পরে শিনোবাজু সরোবরের জল ছেঁচে ফেলে সেখানে দানাশস্যের চাষ শুরু হয়েছিল বলে জানা যায়। এরপর পরিকল্পনা ছিল এই জায়গায় বেসবল স্টেডিয়াম ও বহুতল কার পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। যাই হোক, সব বানচাল করে ১৯৪৯ সালে শিনোবাজুর পদ্মপুকুরকে ফিরিয়ে আনা হয়। ভাগ্যক্রমে সেই দৃশ্যই আজ অবধি অপরিবর্তিত আছে।

আজকের ইউয়েনো পার্কের বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে আছে জাপানের সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা। রয়েছে জাপান আকাদেমি, টোকিও স্কুল অব ফাইন আর্টস, টোকিও স্কুল অব মিউজিক, সর্বপ্রাচীন পাশ্চাত্য সঙ্গীতের প্রেক্ষাগৃহ সোগাকুদো কনসার্ট হল, অপেরা ও ব্যালের জন্য দ্য টোকিও বুঙ্কা কৈকান, ইম্পিরিয়্যাল লাইব্রেরি, ন্যাশানাল ডায়েট লাইব্রেরি, ইন্টারন্যাশানাল লাইব্রেরি অব চিলড্রেনস লিটেরেচার, কুরোদা মেমোরিয়্যাল হল ফর ন্যাশানাল ইন্সটিটিউট অব কালচারাল প্রপার্টি। খুঁজলে হয়ত আরও কত কী!

আমাদের হোটেল ছিল শিতামাচি মিউজিয়মের কাছে। আমরা ইউয়েনো পার্কের ভেতর দিয়ে শিতামাচি মিউজিয়মকে পূব দিকে রেখে পশ্চিম দিকে শিনোবাজু পন্ড বরাবর সোজা হেঁটে যেতাম। পার্কের এক কোণে বাচ্চারা স্লিপ আর সিস চড়ছে, বড়োরা রিং বা প্যারালাল বার ধরে কসরৎ করছেন। এবার পূব দিকে বাঁক নিতাম, পিছনে পশ্চিম দিকে পড়ে রইত বেনটেনের প্যাগোডা। এবার রাস্তা পার হয়ে চড়াই পথে কিয়োমিজু ক্যাননডোকে পিছনে ফেলে সোজা রাজপথে এসে পড়তাম। দূর থেকে টোকিও ন্যাশানাল মিউজিয়মের সাবেকী সৌধ দেখা যেত। একে একে অতিক্রম করতাম রাজকুমার কোমাৎসু আকাহিতোর ঘোড়ায় চড়া মূর্তি, ইউয়েনো জু, মাঝে পড়ত জলাশয় ও ফোয়ারা, আর একপাশে স্টারবাক ও অন্যপাশে পার্কসাইড কাফে। আর বিলম্ব নয়, সামনের রাস্তা পার হলেই ন্যাশানাল মিউজিয়মের ফটক। ফটক পেরিয়ে ভিতরে ঢুকলে শুধু বিস্ময় আর বিস্ময়, ইউয়েনো পার্কের মধ্যমণি টোকিও ন্যাশানাল মিউজিয়ম তখন আমাদের অপেক্ষায়, কারণ আমরা যে যাদুঘরের জাপানযাত্রী!

(ক্রমশ…)

 
 
top