নতুন আলো

 

পর্ব ২৬

কবি বিহারীলাল চক্রবর্তী রবীন্দ্রনাথের আদিগুরু কবির কিশোর বয়েসে সারদামঙ্গল কাব্য আর্যদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিক বেরোতে থাকে। তখন থেকেই তিনি এবং তাঁর নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী বিহারীলালের বিশেষ ভক্ত হয়ে ওঠেন। কাদম্বরী দেবী এই কাব্য প্রায় কণ্ঠস্থ করে ফেলেছিলেন মাঝে মাঝেই কবিকে নিমন্ত্রণ করে এনে খাওয়াতেন তিনি। নিজের হাতে রচিত একটি আসনও তিনি বিহারীলালকে উপহার দেন। সেই সূত্রে কিশোরবয়সী রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে বিহারীলালের এক অসমবয়সী বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথের অবাধ প্রবেশাধিকার ছিল তাঁর বাড়িতে বিহারীলালের চেহারা কবিজনোচিত ছিল না। বিশালদেহি পুরুষ ছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর চারপাশ ঘিরে কবিত্বের একটা রশ্মিমণ্ডল বিরাজ করত। আর ছিল এক প্রশস্ত দরাজ মন। তেতালার নিভৃত ছোট ঘরের মেঝেয় বসে দুপুরে তিনি কাব্য রচনা করতেন। আনন্দে গুনগুন করে  গান করতেন। গলায় যে খুব সুর ছিল তাও নয়।

কিশোর রবীন্দ্রনাথকে দেখেই বলে উঠতেন, ‘এসো, রবি, এসোবোসো।

অসঙ্কোচে রবীন্দ্রনাথ মেঝেতে বসে পড়তেন , ‘কী গান গাইছেন?

‘“বালা খেলা করে চাঁদের কিরণে…”, কী চমৎকার গান, তাই না?’

মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় আপনার কবিতায় সুর দি।

দাও নাখুব ভাল। সুর দিয়ে আমায় এসে শোনাবে কেমন?

সেদিন অবশ্য বিহারীলাল কাব্য লিখছিলেন না। পড়ছিলেন।

কি পড়ছেন আপনি?’

কালিদাস পড়ছি রবি। কুমারসম্ভব। তুমি পড়েছ কালিদাস?

সলজ্জে ঘাড় নেড়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ।

মুগ্ধ বিহারীলাল উদাত্ত কন্ঠে আবৃত্তি করেছিলেন, অস্ত্যুত্তরস্যাং দিশি দেবতাত্মা হিমালয়ো নাম নগাধিরাজ…’

রবি, এখানে একটা মাত্র পঙক্তিতে দেখ কালিদাস কতবার “আ” ব্যবহার করছেন—দেবতাত্মা, হিমালয়, নাম, নগাধিরাজ—কেন বল তো?’

কেন?

কালিদাস জিনিয়াস রবি। বিনাকারণে করেন না কিছু। হিমালয়ের যে উদার মহিমা সেটাকে তো ফোটাতে হবে? বিস্ফারিত করেবোঝাতে হবেকুমারসম্ভব-এর প্রথম লাইনেই কালিদাস তাই পরপর এতগুলো আকারান্ত শব্দ বসিয়ে দিয়েছেন। কবিতা লেখা ছেলেখেলা নয় রবি। গভীর চিন্তাভাবনার প্রয়োজন। অথচ লোকে মনে করে ছেলেখেলা।

মুগ্ধ রবীন্দ্রনাথ ভাবতে ভাবতে ঘরে ফিরেছিলেন। বিহারীলালের সখ্য দিকদর্শকের কাজ করেছিল তাঁর কাছে।

পরে রবীন্দ্রনাথ বিহারীলালের কাছে ছন্দঋণও গ্রহন করেছেন। বঙ্গসুন্দরী কাব্যে বিহারীলাল তিনমাত্রা মূলক ছন্দের প্রচলন ঘটালেন:

একদিন দেব তরুণ তপন

হেরিলেন সুরনদীর জলে

অপরূপ এক কুমারীরতন

খেলা করে নীল নলিনীদলে।

তিনমাত্রা মূলক এই ছন্দের বেগবান গতি রবীন্দ্রনাথ কে আকর্ষণ করল। এ যেন পায়ে হেঁটে ঢিকিয়ে ঢিকিয়ে চলা নয়, জুড়িগাড়িতে বেগে ধাবমান হওয়া। প্রথম দিকের কবিতায় রবীন্দ্রনাথ এই ছন্দের বহু ব্যবহার করেছেন। অবশ্য পরে সন্ধ্যাসঙ্গীত লেখার সময় বিহারীলালের এই প্রভাব থেকে তিনি সবলে বেড়িয়ে আসেন। তবু কাব্যের জগতে বিহারীলালই যে আদিগুরু তা স্বীকার করতে কবির কোন কুণ্ঠা নেই।

সেই বিহারীলাল বিগত হয়েছেন। তাঁর তিন পুত্র। অবিনাশ, ঋষিবর ও শরৎ। এই শরৎ আবার ভীষণ কৃতি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জুয়েল ছাত্র। বর্তমানে বিহারের মজফ্ফরপুরে ওকালতি করছে। এর সঙ্গে কবির জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরিলতার বিয়ের সম্বন্ধ চলছে। ঘটক তথা অনুঘটকের ভূমিকায় আছেন কবিবন্ধু প্রিয়নাথ সেন। সেদিন বিবেকানন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে অস্বীকার করে রবীন্দ্রনাথ যে সাত তাড়াতাড়ি জোড়াসাঁকোয় ফিরে গেলেন তা নিছক অজুহাত ছিল না। সেখানে তাঁর জন্য প্রতীক্ষারত ছিলেন প্রিয়নাথ

প্রথমে অবশ্য দুই বন্ধুর মধ্যে সাহিত্য নিয়ে আলোচনা হল।

ভারতী-তে তোমার চিরকুমার সভা পড়ছিলাম রবি।

কেমন লাগছে?

ভাল, বেশ ভাল। আচ্ছা তুমি ফরাসি জান রবিথিওফিল গোতিয়ের লেখা পড়েছ?

না প্রিয়নাথ, সে সৌভাগ্য হয়নি। ফরাসী আমি ভাল জানি না। জ্যোতিদাদা অবশ্য চর্চা করেছে। 

আশ্চর্য! তোমার লেখার স্টাইলের সাথে গোতিয়ের ভীষণ মিল পেলাম আমি। লেখার মানও তুল্য মূল্য। লিখে যাও রবি। এটা একটা অসাধারণ প্রহসন হয়ে উঠছে।

সাহিত্য আলোচনার পর আসল কাজের কথা শুরু হল।

কী খবর প্রিয়নাথশরৎকে পাকড়াও করা গেল?’

প্রিয়নাথের মুখ বিষণ্ণ, মেঘান্ধকার হয়ে উঠল

খবর ভাল নয় রবি?

কেন?

প্রচুর পণ চাইছে ওরা?’

কত?

বিশ হাজার!

রবীন্দ্রনাথ স্তম্ভিত হয়ে আরামকেদারায় বসে পড়লেন।

প্রিয়নাথ বললেন, ‘এই যে ঋষিবর, এর মত তালেবর ছোকরা খুব কম দেখেছি আমি। মুনি ঋষি সুলভ ত্যাগ, তিতিক্ষা কিছুই তো দেখলাম না। পাওনা গণ্ডা কড়ায় ক্রান্তিতে বুঝে নেবে ওরা।

আর ছেলেটিশরৎ?’

সে তো এ সব ব্যাপারে খুবই ভ্রাতৃভক্ত এবং মাতৃভক্ত বলে মনে হল।

আর মা?’

তিনিও ঘোরতর বৈষয়িক। ছেলে কৃতী। এতগুলো পাশ দিয়েছে। তিনিই বা ছাড়বেন কেন?’

এরা কবি বিহারীলাল নন রবি, গ্রন্থিতে গ্রন্থিতে এরা অর্থলিপ্সু।

রবীন্দ্রনাথ চুপ করে রইলেন। ঠাকুর বাড়িতে পণ দিয়ে বিয়ে হয় না তা নয়। সমাজের প্রচলিত রীতি এটাই। তবে এটা বিয়ের দিনে মহর্ষির আশীর্বাদস্বরূপ যৌতুক হিসেবে দেওয়া হয়। বস্তুত দেবেন্দ্রনাথের বদান্যতার ভরসাতেই এই বিয়ের ব্যাপারে এগিয়েছেন নিঃস্ব, ঋণগ্রস্ত কবি। তবে বিশ হাজার টাকা?!

একটু কম করা যায় না প্রিয়নাথ?’ প্রশ্নটা করে রবীন্দ্রনাথের নিজের মনেই ধিক্কার এল মাধুরিলতা তাঁর বড় আদরের বড় মেয়ে রুপে, গুণে অদ্বিতীয়াএই মেয়েকে দেখেই তিনি কাবুলিওয়ালা গল্পের মিনির চরিত্র এঁকেছিলেন সেই মেয়ের বিয়েতে তাঁকে এমন নির্লজ্জভাবে পণ নিয়ে দরদস্তুর করতে হবে?

প্রিয়নাথ একদৃষ্টে চেয়ে আছেন তাঁর দিকে, ‘কি রবি,এগোবে?’

তিক্ত হাসলেন রবীন্দ্রনাথ, ‘না এগিয়ে উপায় আছে প্রিয়নাথ? আমার অবস্থা তো জান দেনার দায়ে মাথার চুল পর্যন্ত বিকিয়ে আছি তিন তিনটে মেয়েকে পার করতে হবে বাবামশাই তো একমাত্র ভরসা এত লিখি প্রিয়নাথ কিন্তু লিখে আয় নেই, বইয়ের কাটতি নেই আমার। আমার কাব্য কে পয়সা খরচ করে কিনবে? কে পয়সা খরচ করে শুনবে আমার গাননিষ্ফল, বিফল জীবন আমার।

বিহারীলালের বাকি পরিবার যেমনই হোক, শরৎ ছেলেটা ভাল রবি। তোমাকে একটা গোপন খবর দিই।

কী খবর?

‘শরৎ বেলার ফটো দেখেছে। পছন্দও করেছে।

রবীন্দ্রনাথ উল্লসিত হয়ে উঠলেন, কবেকীভাবে?’

আমি পত্র যোগে পাঠিয়েছিলাম। অবিনাশ, ঋষিবর বা শরৎ-এর মা কোন ফ্যাক্টর নয় রবি। ছেলেটাই আসল।

তাছাড়া বিয়ের পর বেলা তো স্বামীর সাথে মজফ্ফরপুরে থাকবে।

বলছ?’

‘শরৎকে তুমি নিজে লেখ রবি। চিঠিতে সব কিছু গুছিয়ে লেখ। লেখ তোমার সমস্যার কথা। শিক্ষিত, বুদ্ধিমান ছেলে।দেখবে সব ঠিক হয়ে যাবে।

 

প্রিয়নাথ সেনের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের যখন এবম্বিধ বাক্যবিনিময় হচ্ছে তখন হেদুয়ার জলাশয়ের ধারে অন্য দৃশ্য অভিনীত হচ্ছিল।

ভগ্নস্বাস্থ্য বিবেকানন্দ মায়াবতী থেকে কলকাতায় ফিরেছেন। মনমেজাজ খারাপ। ফেরার পথেই পেয়েছেন আরেক ভয়ঙ্কর দুঃসংবাদ। পরম সুহৃদ খেতড়ি নরেশ অজিত সিং আর নেই। এই অজিত সিং সুখে দুঃখে সব সময় পাশে ছিলেন বন্ধু হিসেবে। বিপদে, আপদে তাঁর ওপরই নির্ভর করতেন স্বামীজী।

সেই তরুণ অজিত সিং মারা গেছেন অপঘাতে। নিজ ব্যয়ে আগ্রায় এক পুরনো স্থাপত্যকীর্তির সংস্কার করছিলেন তিনি। কাজ পরিদর্শনের জন্য একটা গম্বুজের মাথায় উঠেছেনহঠাৎ সেই গম্বুজ ভেঙে পড়ে শোচনীয় মৃত্যু হয়েছে তাঁর

অজিত চলে গেল, সেভিয়ার চলে গেল, তার আগে গেছে গডউইন। এবার কি তাঁর পালা?

এদিকে বেলুড় মঠে ফিরেই হাঁপানির কষ্ট শুরু হয়েছে স্বামীজীর। মঠের বাইরে থাকলে অপেক্ষাকৃত সুস্থ বোধ করেন। বিকেলে তাই বিরজানন্দ সম্যবিহারে হেদুয়ায় এসেছেন তিনি। বসেছেন বেঞ্চে। একমনে চেয়ে আছেন জলাশয়ের দিকে। সহসা তাঁর চটকা ভেঙে গেল।

নরেন না?’

মুখ তুলে চাইলেন বিবেকানন্দ।

তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে আছেন এক শালপ্রাংশু, দশাসই পুরুষ। গেরুয়াধারি সেই পুরুষের মুখ আসন্ন সন্ধ্যার স্বল্প আলোতেও এক অনন্যসাধারণ বিভায় ঝলমল করছে।

নরেন নাস্বামী বিবেকানন্দ?’

হ্যাঁ। কে আপনি?’

আমি ভবানী। ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ! মনে পড়েআমরা খুব বন্ধু ছিলামএক সাথে দুজনে কেশব বাবুর ওখানে গেছি?রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের কাছেও গেছি?’

ও তোমাকে সেই ঠাকুর ঘোড়া হতে বলেছিলেন তাই নাকাঁধে চেপেছিলেন?’

খুব ভালো না লাগলে ঠাকুর এটা কারুর সঙ্গে করতেন না।

ঠিক, আমিই সেই ভবানী।

এখন কী করছ?

এখন আমি খ্রিষ্টান হয়েছি নরেন, খ্রিষ্টান সন্ন্যাসী, এখন আমার নাম ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়।

ও তুমিই সেই ব্রহ্মবান্ধবতুমিই কি সোফিয়া বলে একটা পত্রিকা চালাও?’

হ্যাঁ। তুমি পড় নাকি সোফিয়া?’

আলাসিঙ্গা কবার আমাকে একটা কপি দিয়েছিল। আমাকে খুব গালাগালি দিয়েছিলে তুমি সেটাতে।

ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় অপ্রতিভ হাসলেন, ‘নববেদান্ত প্রচার করে তুমি আমাদের যা হাল করেছ নরেন তাতে আমরা খ্রিষ্টানরা পালাবার পথ পাচ্ছি না! আমাদের বাঁচতে তো হবে!

না, না ঠিক আছে। কেউ যুক্তি দিয়ে সমালোচনা করলে আমি রাগি না। প্রতাপ মজুমদার যেমন ব্যক্তিগত কুৎসা করেন, পারসোনাল অ্যাটাক, তেমন তো কিছু করনি তুমি। তবে বেদান্তের কাছে তোমরা পারবে না ভবানী। যতই যুক্তি সাজাও, তোমাদের ও সব অরিজিনাল সিনের তত্ব ধোপে টিকবে না।

সেটা বুঝি নরেন। বেদান্তের কাছে অ্যারিস্টটল, অ্যাকুইনাস বাচ্চা ছেলে! আমিও তো বেদান্তের সাথে খ্রিষ্টান ধর্মের একটা সিন্থেসিস চাইছি আগে বেদান্ত, তারপর সব কিছু!

তাই নাকি?’

ব্রহ্মবান্ধবের উৎসাহ চড়ে গেল। বেঞ্চে স্বামীজীর পাশে বসে হাত ধরে বললেন, ‘ভাই নরেন, চুপ করে বসে আছ কেন?এস আমরা হাত মেলাই ! কলকাতা শহরে বেদান্ত বিজ্ঞানের একটা রোল তোলা যাক। আমি সব আয়োজন করে দেব। তুমি একবার আসরে এসে নামো!

বিবেকানন্দ ব্রহ্মবান্ধবের দিকে এক দৃষ্টে চেয়ে রইলেন। বয়সে তাঁর থেকে বছর দুয়েকের বড় ব্রহ্মবান্ধব। যৌবনের তেজে ঝলমল করছেন। আর মাত্র সাঁইত্রিশ বছরে অস্তাচলে ঢলে পড়ছেন তিনি। হেদুয়া দীঘির চারপাশে ঘনিয়ে আসা অন্ধকার থেকে কে যেন কিছুটা কালিমা লেপে দিল স্বামীজীর মুখে।

ব্রহ্মবান্ধবের হাত ধরে তিনি বললেন,ভবানী ভাই, আমি আর বাঁচব না। যাতে আমার মঠটা শেষ করে কাজের একটা সুবন্দোবস্ত করে যেতে পারি সেই জন্যই ব্যস্ত আছি। আমার অবসর নেই।

ব্রহ্মবান্ধব চুপ করে স্বামীজীর কথা শুনতে লাগলেন।

বিবেকানন্দ বলে চললেন, ‘আর একটা কাজ আছে আমার ভবানী। আমার মাকে মনে পড়ে তোমার?’

হ্যাঁ। কেমন আছেন উনি?

আছেন একরকম। আমি মায়ের কুপুত্তুর ভবানী! জীবনে মায়ের জন্য কিছু করিনি আমি! মরবার আগে মাকে একটু তীর্থদর্শন করিয়ে আনব। কামরূপ, কামাখ্যা ঘুরিয়ে আনব। এই আমার শেষ ইচ্ছে।

বিষণ্ণ, মৃত্যুমুখী বিবেকানন্দের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ভারাক্রান্ত মনে ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় চলে গেলেন।

হেদুয়ার ধারে যখন সাক্ষাৎ হচ্ছিল বিবেকানন্দ ও ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়ের এবং রবীন্দ্রনাথ যখন চিন্তিত ছিলেন প্রথমা কন্যার পরিণয়ের বিষয়ে, তখন আরেক তরুণ কৃতি বাঙালিও নিজের বিয়ের ব্যাপারে ব্যস্ত ছিলেন। তিনি হলেন অরবিন্দ ঘোষ।

(ক্রমশ…)

 
 
top