একটি মৃত্যু এবং অসংখ্য প্রশ্নের জন্ম

 

ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আবদুল কালামের মৃত্যুতে যখন জাতীয় শোক চলছে সেই সময়েই আর একটি মৃত্যুর সংগঠিত আয়োজন ভারতের সমাজমানসকে তীব্র বিতর্কে কাঁপিয়ে দিল। এখনো সেই বিতর্ক তীব্রভাবেই বহমান এবং আগামী ভবিষ্যৎকে নানান দিক থেকে নানাভাবে নানামাত্রায় প্রভাবিত করার উপাদান তার মধ্যে রয়েছে। সেই বিতর্কের অংশভাগ হতে চেয়েই এখানে প্রাসঙ্গিক কিছু কথা।

ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির আদেশ যে ঘটনা প্রবাহের সূত্র ধরে তার আরম্ভ কোথায় তাই নিয়েই রয়েছে এক বিতর্ক। যারা ইয়াকুবের ফাঁসির পক্ষে সোচ্চার তারা বলছেন ইয়াকুব ১৯৯৩-এর নৃশংস মুম্বাই বিস্ফোরণ কাণ্ডের অপরাধী—যে বিস্ফোরণ আড়াইশোর বেশি নিরীহ প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল, প্রায় সহস্রাধিক লোককে মারাত্মক ভাবে আহত বা পঙ্গু করে দিয়েছিল—এই অপরাধের প্রতিহিংসা ইয়াকুবকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েই করা সম্ভব। এই প্রতিহিংসার দর্শনের ওপর দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র কোনও অপরাধীকে শাস্তি দিতে পারে কিনা সেটা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তারা যে শুধু এই ফাঁসির বিপক্ষে তা নয়, সার্বিক ভাবেই মৃত্যুদণ্ডেরর বিরোধিতায় তারা সোচ্চার। কারণ ফাঁসির শাস্তি যে প্রতিহিংসা দর্শনের ওপর দাঁড়িয়ে—চোখের বদলে চোখ, প্রাণের বদলে প্রাণ—সেই প্রতিহিংসা চক্রের কোনও শেষ থাকতে পারে না। ১৯৯৩-এর মুম্বই বিস্ফোরণকেও তো একটি প্রতিক্রিয়ার প্রতিহিংসা হিসেবে দেখা যায়। ১৯৯২-এর বাবড়ি মসজিদ ধ্বংস ও তার পরবর্তী দাঙ্গায় মুসলিম নিধনের প্রতিক্রিয়া। যে দাঙ্গায় আরো অসংখ্য মানুষের মতো ইয়াকুবের সম্পত্তিও পুড়িয়ে দিয়েছিল দাঙ্গাকারীরা। আবার মেমনের ফাঁসির প্রতিক্রিয়াতেও পালটা হিংসার সম্ভাবনা থেকে যায়। রাষ্ট্রকেই এই চক্রের বাইরে বেরোনোর আয়োজন করতে হবে। সেইসঙ্গে ফাঁসির সিদ্ধান্তের বিরোধীদের এও বক্তব্য যে, প্রাণ রাষ্ট্র তৈরি করতে পারে না, সেই প্রাণকে ধ্বংস করার অধিকার তার নেই। মারাত্মক অপরাধের ক্ষেত্রে ফাঁসির পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মতো শাস্তির পক্ষে তাঁরা কথা বলেন এই যুক্তি থেকেও যে বিচার ব্যবস্থায় ভ্রান্তি থাকা সম্ভব এবং পরবর্তীকালে সেই ভ্রান্তি সামনে এলেও ফাঁসি হয়ে গেলে তা সংশোধনের আর কোনও সুযোগ থাকে না।

ইয়াকুবের বিচার প্রক্রিয়ায় এই ভ্রান্তি থেকে গেল কিনা তা নিয়েও বিভিন্ন মহল থেকে নানা প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ফাঁসির আগের মুহূর্ত পর্যন্ত ইয়াকুব নিজে স্বীকার করেনি, সে অভিযুক্ত। এমনকী শেষ সময়েও কোরান পড়া ইয়াকুব ধর্মীয় রীতি অনুসারে নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেয়নি, নিজেকে বেকসুর দাবি করেছে। অনেকেই বলেছেন ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার দাবি মতো তাকে আসলে গ্রেপ্তার করা হয়নি, সে তার আগে নিজেই আত্মসমর্পণ করেছিল এবং গোটা বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছিল। গ্রেপ্তারির পর জেলবন্দি থাকার প্রথম দিনগুলিতে ইয়াকুব ইন্ডিয়া টুডে পত্রিকার সাংবাদিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুম্বাই বিস্ফোরণ এর চক্রান্তর যাবতীয় দিকগুলিকে তুলে ধরে এবং মেমন পরিবারের পাকিস্তানে আশ্রয়ের কথাও স্বীকার করে। অকপটে জানায় তার দাদা টাইগারের সংশ্লিষ্ট ষড়যন্ত্রের কথাও। ভারত রাষ্ট্র এই তথ্যগুলি আন্তর্জাতিক স্তরে পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রের অন্যতম প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরতে তৎপরতা দেখায়, কেবল ভুলে যাওয়া হয় সেই সাক্ষাৎকার থেকে ফাঁসির মুহূর্ত পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ইয়াকুবের নিজেকে নির্দোষ হিসেবে তুলে ধরা দাবি। অনেকেই বলেছেন যে গোষ্ঠীটি মুম্বাই বিস্ফোরণের মূল ক্রীড়নক তার অন্যতম ইয়াকুবের দাদা টাইগার মেমনের অপরাধের শাস্তি পেতে হল তার ভাইকে। দাউদ বা টাইগার বা অন্য কোনও চক্রীকে গ্রেপ্তার করার ব্যর্থতা ঢাকতে বলি দেওয়া হল ইয়াকুবকে। গোয়েন্দা সংস্থা র-এর প্রাক্তন অধিকর্তা এবং মন্ত্রীসভার সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব বি রমন প্রদত্ত এই সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরূত্বপূর্ণ সূত্রাবলি এ ধরণের সন্দেহকেই জোরালো করে। রমন জানিয়েছিলেন ইয়াকুব নিজেই আত্মসমর্পণ করে। তার চেষ্টাতেই মেমন পরিবারের অনেক সদস্যকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং মুম্বাই বিস্ফোরণে পাকিস্থান ও আই এস আই সংযোগ প্রমাণ করা সম্ভব হয়। 

ইয়াকুব নিজে কতটা দোষী সেই বিতর্ক এড়িয়েও আরেকটা প্রশ্ন এই ফাঁসিকে ঘিরে সামনে এসেছে। ভারতে নৃশংসতম অপরাধগুলির কোন কোন ঘটনায় কী সাজা বা ছাড় দেওয়া হয়েছে তা তুলে ধরে অনেকেই এই সংক্রান্ত দ্বিচারিতার দিককে সামনে এনেছেন। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী বাদল বা রাজীব গান্ধীর হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা যাবজ্জীবক কারাদণ্ডের শাস্তি ভোগ করছেন। অপারেশন ব্লু স্টার যে খালিস্থানি আন্দোলনের প্রেক্ষিতে হয়েছিল এবং যাতে হাজার হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল পরিস্থিতি বিচারে সেই আন্দোলনের নেতৃত্বদেরও ফাঁসির প্রশ্ন আসেনি। যারা দলিত গণহত্যাগুলির সঙ্গে জড়িত তারা মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বা যাবজ্জীবন পাওয়া দূরে থাক, বেকসুর খালাস হয়ে জেলের বাইরে বেরিয়ে গেছে এবং প্রশ্ন উঠেছে বাথে বা বাথানির মতো গণহত্যাগুলি অশরীরী কেউ ঘটিয়েছিল কিনা। আমরা ফাঁসি, জঘন্য অপরাধ, গণহত্যা ও তার শাস্তি প্রসঙ্গে ওঠা বিতর্কের প্রেক্ষিতে একটু বিস্তারিতভাবে বিভিন্ন দলিত গণহত্যা ও তার সম্পর্কে আদালতের রায় গুলিকে একটু ফিরে দেখতে চাইব।

পাটনা হাইকোর্ট কিছুদিন আগে ১৯৯৭ সালের লখিমপুর গণহত্যার যে রায় দিয়েছে তাতে গোটা দেশ স্তম্ভিত হয়ে গেছে। যে গণহত্যায় নারী ও শিশু সহ ৫৭ জন দলিত মানুষকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছিল, তার কোনও একজন খুনিকেও শাস্তি দেবার উপযুক্ত বলে উচ্চ আদালত খুঁজে পায়নি। ২০১৩-র ৯ অক্টোবর লখিমপুর বাথে গণহত্যার রায় দিতে গিয়ে পাটনা হাইকোর্ট এমনকী নিম্ন আদালতের রায়কেও সম্পূর্ণ উলটে দিয়েছে। নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন রণবীর সেনার যে ২৬ জনকে উচ্চ আদালতের এই রায়ে বেকসুর খালাস করা হয়েছে নিম্ন আদালত তাদের মধ্যে ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা দেওয়ার মত মারাত্মক অপরাধের প্রমাণ পেয়েছিল। ২০১২ থেকে দেড় বছরের মধ্যে বিহার হাইকোর্ট লখিমপুর বাথে এবং বাথানিটোলা সহ তাদের দেওয়া চারটি রায়ে দলিত হত্যায় অভিযুক্ত এবং নিম্নতর আদালতে ফাঁসি বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মত চরম সাজা প্রাপ্তদেরও বেকসুর খালাস করে দিয়েছে। বাথে গণহত্যার রায়ের আগে বাথানিটোলা, নাগরি এবং মিয়াপুরের দলিত গণহত্যা সংক্রান্ত তিনটি মামলার রায়ে এরকম অদ্ভুত প্রহসন লক্ষ্য করা গেছে।

১৯৯৬-এ সংগঠিত বাথানিটোলা গণহত্যার রায় দিতে গিয়ে ১৭ এপ্রিল ২০১২ পাটনা হাইকোর্ট নিম্ন আদালতে সাজা পাওয়া রণবীর সেনার ২৩ জন অপরাধীকে বেকসুর খালাস করে দিয়েছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য বাথানিটোলার ঘটনায় ২১ জন দলিতকে হত্যার দায়ে নিম্ন আদালত এই ২৩ জনের মধ্যে ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছিল।

২০১৩ র ১লা মার্চ পাটনা হাইকোর্ট ১৯৯৮ এর নাগরি গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত ১১ জনকেই বেকসুর খালাস করে দিয়েছে। নাগরি গণহত্যার ঘটনায় রণবীর সেনা ১০ জনকে গুলি করে হত্যা করেছিল, এদের মধ্যে ৩ জনকে নিম্ন আদালত মৃত্যুদণ্ড ও ৮ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল। ২০১৩-র ৩ জুলাই মিয়াপুর গণহত্যার রায় দিতে গিয়ে পাটনা হাইকোর্ট নিম্নতর আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তিপ্রাপ্ত ১০ জনের ৯ জনকেই বেকসুর খালাস করে দিয়েছিল। ২০০০ সালে সংগঠিত এই গণহত্যায় ৩২ জন দলিতকে খুন করে রণবীর সেনার লোকজন।

এরকম আরো অনেক বিচারের প্রহসনকেই সামনে আনা যায় এবং এই বিতর্কের প্রেক্ষিতে তা প্রবল ভাবেই সামনে আসছে। একদিকে যদি দলিত গণহত্যার প্রশ্নে ন্যায় বিচার অন্ধ হয়ে থাকে, তবে অন্যদিকে সে অন্ধ হয়ে আছে মালেগাঁও বিস্ফোরণ বা ২০০২-এর গুজরাট দাঙ্গা বা ১৯৮৪-র শিখ দাঙ্গায় গণহত্যার অপরাধীদের শাস্তিদানের ব্যাপারে। অসীমানন্দ সরস্বতী বা জগদীশ টাইটলাররা কি শাস্তি পান বা আদৌ কোনও শাস্তি পান কিনা তা দেখার ঔৎসুক্য সকলেরই আছে। ভোটের জন্য মুজফফরনগর সহ অসংখ্য দাঙ্গা পরিকল্পিতভাবে সংগঠিত হয় এবং তার মূল ষড়যন্ত্রীরা শাস্তি পাওয়া দূরে থাক, রাষ্ট্রের অন্যতম শক্তিধর ব্যক্তি হিসেবে বিচরণ করেন, জনগণের ভাগ্য বিধাতা হয়ে থাকেন। নৃশংস অপরাধীকে সর্বোচ্চ শাস্তি পেতেই হবে – ইয়াকুবের ফাঁসি প্রসঙ্গে তোলা এই যুক্তি তাই নানা দিক থেকেই নিষ্ঠুর কৌতুকের বিষয় হয়ে থাকে।

ইয়াকুবের ফাঁসিকে রদ করার জন্য দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষ আবেদন জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতির কাছে। সিপিআই-এর ডি রাজা, সিপিআই(এম)-এর সীতারাম ইয়েচুরি, প্রকাশ কারাত, বৃন্দা কারাত, সিপিআই(এমএল)-এর দীপঙ্কর ভট্টাচার্যর মতো কমিউনিস্ট পার্টির সামনের সারির নেতৃত্ব ছাড়াও আবেদনকারীদের মধ্যে ছিলেন নানা মতাদর্শের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাংসদ ও নেতারা। আবেদন জানিয়েছিলেন কংগ্রেসের মণিশঙ্কর আইয়ার, এনসিপি-র মাজিদ মেমন, ডিএমকে-র টি সিভা এমনকী বিজেপি-র শত্রুঘ্ন সিনহা পর্যন্ত। আইন জগতের প্রথিতযশা বিভিন্ন মানুষ, যেমন রাম জেঠমালানি, পানাচাঁদ জৈন, এইচ এস বেদি, পি বি সাওয়ান্ত, এইচ সুরেশ, কে পি শিবা সুব্রমনিয়ম, এস এন ভার্গভ, কে চান্দ্রু, নাগমোহন দাশ, ইন্দিরা জাইসিং প্রমুখর পাশাপাশি চলচ্চিত্র জগতের নাসিরুদ্দিন শাহ বা মহেশ ভাট, বিদ্যাচর্চার জগতের ইরফান হাবিব, অর্জুন দেব, এন ঝা, সমাজ কর্মী অরুণা রায়, জঁ দ্রেজ, জন দয়াল প্রমুখও ছিলেন অন্যতম আবেদনকারী।

দেশ যখন তার প্রাক্তন রাষ্ট্রপ্রধান আবদুল কালামের মৃত্যুতে জাতীয় শোক পালন করছে, তখন সেই কালামের মৃত্যুদণ্ড বিলোপের অবস্থানকে মর্যাদা দেওয়া হোক, রদ করা হোক ইয়াকুবের ফাঁসি—বর্তমান রাষ্ট্রপতির কাছে এরকমই আবেদন জানিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ও জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর পৌত্র গোপালকৃষ্ণ গান্ধীও। এইসব আবেদন গৃহীত হয়নি এবং জাতীয় শোক চলাকালীনই ইয়াকুবকে ফাঁসি দিয়ে সমাজের একাংশের উগ্র জাতিয়তাবাদী উল্লাস এর উৎসমুখ খুলে দেওয়া হয়েছে।

আবদুল কালাম এর গীতাপাঠ বা পরমাণু বোমা সংক্রান্ত গবেষনার ভাবমূর্তিকে আত্মস্যাৎ করে রাষ্ট্র যখন তাঁর মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত অবস্থানকে অনায়াসে তাঁরই মৃত্যুতে চলা জাতীয় শোকের সময়ে ভুলে যেতে পারে, তখন ইয়াকুব মেমন এর স্বাক্ষ্য ও উদ্যোগের ভিত্তিতে মুম্বাই বিস্ফোরণ মামলার কিনারা করা ও তাতে পাকিস্থান ও আই এস আই সংসযোগ প্রমাণ করতে পারা ভারত রাষ্ট্র যে তাকে প্রথমে ব্যবহার করে পরে বলি হিসেবে সামনে রেখে নিজের মুখরক্ষার চেষ্টা করবে এবং উগ্র জাতিয়তাবাদি আস্ফালনকে উশকে দিতে চাইবে তাতে আর আশ্চর্য কি? ভরসার কথা এই জাতীয় শোকের আবহেও যেমন পরমাণু বোমার গবেষণা বা কুড়ানকুলামে পরমাণু চুল্লির পক্ষে বলা ভারতরত্ন কালামকে বিতর্কের উর্ধ্বে রাখা হচ্ছে না, তেমনি উগ্র জাতিয়তাবাদকে চারিয়ে দেওয়ার জন্য শাসকের সংগঠিত উদ্যোগও উল্লেখযোগ্য বিরোধিতার সামনে পড়ছে। ধর্ম অঞ্চল ভাষা রাজনৈতিক অবস্থান ও জনগোষ্ঠীর পরিচয় নির্বিশেষে একটি ফাঁসি যে অসংখ্য প্রশ্ন ও প্রতিবাদের জন্ম দিচ্ছে আগামী দিনে রাষ্ট্রকে অবশ্যই তার কড়া মোকাবিলার সামনে পড়তে হবে।

সূত্র

১. http://www.rediff.com/news/column/exclusive-b-ramans-unpublished-2007-article-why-yakub-memon-must-not-be-hanged/20150723.htm

 
 
top